যে মেয়েটিকে পছন্দ করে রেখেছিলাম বিয়েটা তার সঙ্গে হয় নি৷ তবে তার বিয়ের ওলিমায় গিয়েছিলাম৷ কষ্টটার মাত্রা একটু বেশী৷ মেয়েটি বিয়ের পরও আমার কাছে কিছু দিন পড়েছে৷ এটি আরও রোমান্টিক৷ বিয়েটি হয়নি কেন আমার সঙ্গে তা কষ্টের৷ শহরে আমার জায়গা বা বাসা না থাকাও একটি কারন৷ তাছাড়া ছোট মেয়েটি ছিলো আমার পছন্দের৷ বড়টি রেখে ছোটটি বিয়ে দেবে না৷ যাক সেই মেয়েটিও জানতো আমার সঙ্গে তার বিয়ের আলোচনা চলছে৷ মেয়েরা বিয়ে নিয়ে কী ভাবে তা জানা মুশকিল তবে আধুনিক যুগে মেয়েরা বিয়ে করে বিয়ে বসে না৷ আমার পছন্দের সেই মেয়েটি তেমন নয়৷ মেয়েটির নাম আমার ডায়েরিতে লেখা আছে৷ এই লেখায় তার নাম লিখলাম না৷ তার বাচ্চারা এই লেখা পড়লে সমস্যা হবে৷
আমার বিয়ে আমি আলাপ করেই করি মেয়ের পিতার সঙ্গে৷ পিতা সরল সহজ আল্লাহওয়ালা মানুষ৷ পীর৷ তবে পিরালি করে না৷ তিনি তাবলিগি মেজাযের৷ পেশায় শিক্ষক৷ শাইখুল হাদীস৷ নাম বললে নেত্রকোনার মানুষ চিনবে তাই নামটি বললাম না৷ মেয়ের বাপের সঙ্গে গল্প করে বিয়ে করেছি এটি কি অদ্ভুত লাগছে? আমার কাছে সেটি ভালো লেগেছে৷ মেয়েটিও জানতো না আমার সঙ্গে তার বিয়ে হবে৷
আমার বিয়েতে বড় বড় আলেম গিয়েছেন নেত্রকোনায়৷ মহর দশ হাজার টাকা৷ বিয়ের মেহমানদারিতে শুধু মাছের আয়োজন ছিলো৷ অনেক আইটেমের মাছ৷ আমার বিয়ে আমার বাড়ি থেকে হয় নি৷ আমার দোস্ত মাওলানা মুহাম্মদ পুকুরে গোছল করিয়েছেন৷ চুবানি পানিতে৷ আমার বন্ধু জহিরুল হক মাসউদের ঘর থেকে আমি যাত্রা করেছি৷ যাবার সময় জুতো হারিয়ে ছিলো৷ মাসুদ ভাই জুতো ক্রয় করে দিয়েছিলেন৷
নেত্রকোনা আলিয়া মাদরাসার মসজিদে আমার বিয়ের আকদ হয়৷ বিয়ে বাড়ি থেকে আমি পালিয়ে নেত্রকোনা বড় স্টেশনে চা খেতে আসি৷ সম্ভবত দোস্ত গোলাম রব্বানী ও মুহাম্মদ সাথে ছিলো৷ তিন জনের এক ড্রেস৷ সাদা জামা৷ আমি বিয়ের দিনে মুখে রোমাল দেই নি৷ মামা ছাড়া আমার বাড়ি থেকে কেউ বিয়েতে আসে নি৷
আব্বার কথা মনে পড়েছে বিয়ের দিন৷ আব্বুর স্মৃতি মনে নিয়ে আমি দুঃখটা ভুলে বা আড়াল করে রেখেছি৷
আমার দুই জন শায়খ ও উস্তায বিয়েতে গিয়েছিলেন৷ আমি তাদের প্রতি সারা জীবন এই কারনে কৃতজ্ঞ৷
বিয়ের পর আমি মেয়ের বাড়ি দুই দিন থেকে বউকে নিয়ে চলে আসি ময়মনসিংহে৷ লাজুক মেয়েটি mময়মনসিংহে চলে এলো কিন্তু আমার কি বাসা বা ঘর আছে কি না তা একবারও জানতে আগ্রহী হলো না৷ তখন আমার এক কামরার একটি à¦