মুফতি লুৎফর রহমান ফরায়েজী
বলতে ভাল লাগছে না। সময় করেও উঠতে পারছি না। কিন্তু শুভাকাঙ্ক্ষীদের লাগাতার আবেদনের কারণে অবশেষে লিখছি।
দাওয়াত ও তাবলীগ এবং চরমোনাই মুজাহিদ। সেই সাথে বাংলা মাটির শেকড়ের সাথে মিশে যাওয়া আমাদের কওমী মাদরাসা।
যারা বাংলার জনপদে জনপদে ঘুরে বেড়ান। তারা আমাদের এ তিন জামাতের আম বদনাম অন্তত চিন্তাশীল কোন খাঁটি ধার্মিক করবে না। করতে পারে না।
বললে অত্যুক্তি হবে না যে, এ জমিনে এখনো হক ও হক্কানিয়্যাত যিন্দা আছে এ তিনটি মুখলিস জামাতের বদৌলতেই। মাঠে প্রান্তরে যাদের কর্মীরা মিশে আছেন জনতার সাথে। ক্ষণে ক্ষণে ঝলসে উঠেন আপন মহিমায়। রবের দ্বীন রক্ষায় ঝাঁপিয়ে পড়েন অকুতোভয় হয়ে।
কোথাও চরমোনাই মুজাহিদদের কারণে বাতিল পালায় পিছনের দরজা দিয়ে। তো কোথাও তাবলীগী সাথীদের দৃঢ়তায় থেমে যায় বাতিলের গতিপথ। কওমী উলামার হুংকারে স্তব্ধ হয় ফিতনাবাজের উল্লাসধ্বনি।
বি বাড়িয়া জেলার কসবার ঘটনাটি স্মৃতিপটে ভাস্বর থাকবে অধমের। যেমনটি দাগ কেটেছিল নোয়াখালী গোপালপুরের ঘটনাটি।
মাহফিল আয়োজক লা মাযহাবী বন্ধুরা। প্রধান বক্তার স্থানে দেওবন্দী আলেম। বাকি তিন আলোচক লা মাযহাবী এবং মওদুদী অনুসারী। আজীব না?
এ কাজ তারা কেন করলেন? আল্লাহ ভাল জানেন। তবে অনেকের ধারণা বাস্তব প্রমাণ করে মাহফিলের আগের দিন কর্তৃপক্ষ ফোন দিয়ে জানালো "ফরায়েজী সাহেব! আপনি মাহফিলে আসবেন না, আপনি আসলে কাজী ইব্রাহিমসহ বাকি তিন বক্তার কেউ আসবে না"!
আমার দৃঢ় উচ্চারণ "আমার নাম প্রচারিত হয়েছে, এখন আমি না আসলে ছড়ানো হবে লা মাযহাবীদের ভয়ে আমি আসিনি, তাই আমি আসবোই, শত বাঁধা আসলেও আমি আসবো। বাকি বক্তা কেন আসবে না, সেটা তাদের দুর্বলতা, আমারতো কোন সমস্যা নেই তাদের আসাতে, তাদের প্রবলেম কেন?"
আপনাকে মঞ্চে উঠতে দেয়া হবে না" হুমকি দিতেই ক্ষিপ্ত স্বরে বললাম "আমি আসবো ইনশাআল্লাহ! আসার পর মঞ্চে উঠতে কে আটকে রাখে আমি দেখবো ইনশাআল্লাহ"। কেটে দিলাম ফোন।
অপর দিক থেকে স্থানীয় আলেম মাওলানা ইমরান, মাওলানা শফীক আজীজীসহ নাম মুখস্থ না থাকা উলামাগণ সোচ্চার হলেন। আমাকে যেতে হবে। এটি এখন আমাদের সবার ইজ্জতের প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তাবলীগী সাথীরা একের পর মাশোয়ারা করে আমাকে উপস্থিত করা ও সিকিউরিটি দেবার ফিকির করতে লাগলেন।
অভূতপুর্ব সহযোগিতায় এগিয়ে এলেন চরমোনাই মুজাহিদ বাহিনী। কসবা থানা যুব আন্দোলনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ আম চরমোনাই কর্মীরা à¦