সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সৌদি আরব ও কাতারের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বিশ্বজয়ী হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরাকে সংবর্ধনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয় লক্ষ্মীপুরে ড্রাম ট্রাকচাপায় বৃদ্ধ ভ্যানচালকের মৃত্যু দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী

ইউটিউবের সবচেয়ে বেশি দেখা ৫ তেলাওয়াত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আতাউর রহমান খসরু: কুরআন তেলাওয়াত একটি শিল্প।  আল্লাহই বলেছেন তার কুরআনকে শিল্পমণ্ডিত করে তেলাওয়াত করতে।   শুধু পরকালেই নয়, কুরআনের শিল্পীগণ এখন পৃথিবীতেও অনেক সম্মানিত।  ভার্চুয়াল জগতে তাদের খ্যাতি দুনিয়াজোড়া।

জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং সাইট ইউটিউবেও রয়েছে কুরআনের শিল্পীদের তুমুল জনপ্রিয়তা।  শুধু গান-মুভি আর পাপের উপকরণ নয় প্রতিদিন কুরআনের তেলাওয়াত দেখেন/শুনেন শত কোটি মানুষ।

ইউটিউবে সবচেয়ে বেশি দেখা ভিডিও খুঁজে বের করা কঠিন। তবে আনুমানিক খসড়া করলে একটা তালিকা পাওয়া যায়। সে ভিত্তিতে ইউটিউবে সবচেয়ে বেশি দেখা ৫ ভিডিও ও কারিদের বৃত্তান্ত তুলে ধরা হলো।

কারি আবদুল বাসেত মিসরি

কুরআনের অমর পাখি কারি শায়খ আবদুল বাসেত বিন আবদুস সামাদ মিসরি রহ.।  আজ থেকে প্রায় তিন দশক আগে তিনি কুরআনের এক মজলিসে মৃত্যুবরণ করেন। অথচ এখনও আধুনিক যুগের কারিদের মতো সমান জনপ্রিয়। ইউটিউবে দেখা কুরআন তেলাওয়াতের শীর্ষ পযায়ে রয়েছেন তিনি।  তার একেকটি তেলাওয়া ১ লাখ থেকে ৫০ লাখ পযন্ত দেখা হয়েছে।

কারি আব্দুল বাসিত ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দে মোতাবেক ১৩৪৬ হিজরিতে মিশরের ‘কেনা' অঞ্চলের ‘আর মানত' শহরের মরয়েজা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম আলহাজ আবদুস ছামাদ।

শৈশবে গ্রামের শায়খুল আমির পাঠশালায় কুরআনের বিশুদ্ধ তেলাওয়া শেখেন। অধ্যয়নকালেই তিনি কুরআনের বিশুদ্ধ তেলাওয়াত, ইবতেদা ওয়াক্কফ এবং শব্দ উচ্চারণস্থলে নিয়ন্ত্রণের সূক্ষ্মতায় অত্যন্ত পারঙ্গম।

তার সাধনা ও শিক্ষকদের ভালবাসা ও আত্মবিশ্বাসই তাকে কেরাতের নান্দনিকতায় পৌঁছতে অনুপ্রাণিত করে। মাত্র ১২ বছর বয়সেই তিনি সকলের নিকট পরিচিত হয়ে ওঠেন।

তিনি শায়খ মুহাম্মদ আমিরের কাছে কুরআন হিফজ করেন। শায়খ মুতকিন মুহাম্মদ সালিম হাম্মাদাহ-এর নিকট ইলমুল কিরাতের দীক্ষা নেন।  ১৯৫১ সালে তিনি মিসরের জাতীয় কেরাত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে দেশে বিদেশে সাড়া ফেলে দেন। ১৯৫২ সালে মিসরের বিখ্যাত ইমাম শাফেয়ি রহ. মসজিদের কারি হিসেবে নিয়োগ পান এবং ১৯৫৮ সালে এ মসজিদের ইমাম মনোনীত হন।

এরপর দেশে বিদেশে কুরআনের কারি হিসেবে বিপুল খ্যাতি অর্জন করেন। তিনি ১৯৬২ ও ১৯৮১ সালে যুক্তরাষ্ট্র সফর করেন।  কথিত আছে তার যাদুময়ী স্নিগ্ধ, জ্যোতির্ময় সুরের মূর্ছনায় পবিত্র ইসলাম ধর্মে আশ্রয় গ্রহণ করেছেন কয়েক ডজন আমেরিকান।

মরক্কোর বাদশা মুহাম্মদ আল খাশিস তা