শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

জন্মের পরই হিজাব, কট্টর সেক্যুলারদের গায়ে কাঁটা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সাখাওয়াত উল্লাহ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নতুন বছরে প্রথম জন্ম নেয়া শিশুকে নিয়ে উৎসব করে থাকে অনেক দেশ। অস্ট্রিয়ায়ও এ রীতি চালু আছে। তবে এবার ওই উৎসবে সমালোচনার রং লাগাল কট্টর সেক্যুলারপন্থীরা।

এবার নতুন বছরের প্রথম দিনে জন্ম নেয়া মেয়েকে হিজাব পরিয়ে ছবি তুলেছিলেন মা। নিজেও ছিলেন বোরকায় আবৃত। আর এটিই সহ্য করতে পারেনি কট্টরপন্থীরা। ব্যক্তি স্বাধীনতার ভেতরও হস্তক্ষেপ করে বসল সমালোচকরা।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, ২০১৭ পেরিয়ে ২০১৮ তে পা দেওয়ার মাত্র ৪৭ মিনিট পর জন্ম নেয় বাচ্চাটি। জন্ম নেওয়ার পরপরই তার মা-বাবার সাথে একটি ছবি সামাজিক গণমাধ্যমে পোস্ট করা হয়। তবে ছবিতে শিশু ও শিশুর মা ছিলেন হিজাবী।

নিউইয়র্ক টাইমসের সেই প্রতিবেদনে বলা হয়, ছবি পোস্ট করার মাত্র ১০ ঘন্টার মধ্যে প্রায় ১৭ হাজার কমেন্ট আসে, যার মধ্যে অধিকাংশ মানুষই তাঁকে সমালোচনা করেন।

অনেকেই আবার এই পোস্টে বিভিন্ন কুমন্তব্য করলে ভিয়েনাতে কর্মরত দাতব্য সংস্থার প্রধান সের্চনার এর বিরোধিতা করেন। তিনি তার ফেসবুকে লেখেন, ‘জন্মের পরপরই এই নিষ্পাপ মেয়েটিকে এই অবিশ্বাস্য এবং ঘৃণ্য অনলাইন সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়েছে।’

তার এই লেখার পর এটি সকলের চোখে আসে। ‘ফ্রিডম পার্টি’ এবং ‘কন্সারভেটিভ পিপলস পার্টি’ একত্রে মিলে অনলাইনে এই সমালোচনার বিরোধিতা করে। এই ঘটনার পর সেই পোস্টে সকল সমালোচনামূলক কমেন্ট এবং পোস্ট সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য, অস্ট্রিয়াতে বরাবরই উচ্চ অভিবাসী হার এবং দূর দেশ থেকে আসা শরণার্থীর কারণে স্থানীয়দের সংখ্যা এখন আশংকাজনক অবস্থায় নেমে এসেছে। এজন্যেই এদেশে আসা শরণার্থীদের খুবই নিম্ন চোখে দেখা হয়।

সূত্র : দ্য নিউইয়র্ক টাইমস


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ