শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬ ।। ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৭ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
প্রাথমিকে সংগীত, নাট্যকলার পরিবর্তে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জাতীয় শিক্ষক ফোরামের দিন-রাত দুই শিফটে কাজ করবেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা: ডিএনসিসি প্রশাসক বিভ্রাটের প্রায় একঘণ্টা পর সচল ফেসবুক-ম্যাসেঞ্জার আমি ক্ষমতায় থাকতে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র পেতে দেব না: নেতানিয়াহু  হিল্লা বিয়ে ইসলামের নিকৃষ্ট অপব্যাখ্যা: শায়খ আহমাদুল্লাহ শিক্ষার গুরুত্ব বিবেচনায় বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী ফেসবুক ডাউন, ভোগান্তিতে ব্যবহারকারীরা  কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ড, পুড়ল প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ঢাকাসহ দেশের ১৩ অঞ্চলে ৪৫-৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস প্রাথমিকে ‘সংগীত-নৃত্যের সিদ্ধান্ত’ বাতিলের দাবি ছাত্র জমিয়তের

কাতারকে সমর্থন করায় ৩১ বছরের জেল!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: শক্তিশালী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে বেশ সুপরিচিত ব্লগার আব্দুল্লাহ আল-সালেহ মধ্যপ্রাচ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভূমিকার সমালোচনা করায় তাকে আরো ৫ বছর জেল দেওয়া হয়েছে।

ব্রিটেনে অবস্থানরত এ কুয়েতি নাগরিকের সাজা বেড়ে দাঁড়াল ৩১ বছর। আব্দুল্লাহ টুইটারে মধ্যপ্রাচ্যে আগ্রাসী ভূমিকার জন্যে আমিরাতকে দোষারোপ করে গত সপ্তাহে সমালোচনা করায় সর্বশেষ আরো ৫ বছর জেল দেওয়া হয়।

কুয়েতি পত্রিকা আল-কাবাস বলছে আব্দুল্লাহ ইতিমধ্যে ব্রিটেনে রাজনৈতিক আশ্রয়া প্রার্থনা করে বলেছেন তিনি তার দেশ কুয়েতে ফিরতে চান না।

এর আগেও আব্দুল্লাহ সৌদি আরব ও কাতারের ওপর অবরোধ আরোপের সমালোচনা করায় তাকে ৫ বছরের জেল দেওয়া হয়েছিল। তিনি অনবরত রিয়াদ ও আবু ধাবির শাসকদের কড়া সমালোচনার জন্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সুপরিচিত। সম্প্রতি তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মন্তব্য করেন, যদি কুয়েতি দিনারের শক্তি না থাকতে তাহলে বাহরাইনের মত কুয়েতেও সৌদি আরব হস্তক্ষেপ করত।

টুইটারে আব্দুল্লাহর অনুসারী রয়েছে ৯৮ হাজার। এক টুইট বার্তায় আব্দুল্লাহ মন্তব্য করেন, কাতারকে সমর্থন ও সৌদি আরবের সমালোচনা করায় আমাকে ৫ বছর জেল দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমি আমার মন্তব্যের জন্যে কোনো দুঃখ প্রকাশ করব না। সমালোচনা আমার অধিকার। কুয়েতেও ফিরব না তবে শোষিতদের পক্ষে আমি আমার সমর্থন অব্যাহত রাখব।

এদিকে আইসিএফইউএই বলছে, আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দেওয়া আদালতের রায় মানবাধিকার ও সমাবেশ করার যে মৌলিক অধিকার রয়েছে তার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। আমিরাত সহ আরব দেশগুলোতে অনলাইন বিরোধিতা একটি ক্রমবর্ধমান সাধারণ বিষয় হয়ে উঠেছে। অনলাইন সমালোচনার জন্যে গুম, আটক ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে অহরহ।

আল আরাবিয়া/এইচজে

 


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ