যিয়াদ বিন সাঈদ: আবুল ফাতাহ। তারুণ্যের দ্বীপ্তিমান হৃদয়ে মম রবে দুলতে থাকা একটি নাম। সাবলীল ভঙ্গিমায়, খানিকটা হুমায়ূনীয় আদলে তড়তড়ে গদ্যের রিনিঝিনি অভিনব সৃষ্টিকারী এক স্রষ্টাই যেন তিনি।
অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৮ তে তার হাত ধরে এসেছে হিস্টোরিক্যাল থ্রিলার ‘দ্য এন্ড’। হ্যাঁ, প্রতীক্ষায় কাতর পাঠকের কাছে সে ‘দ্য এন্ড’র গল্প করতেই এসেছি। জানাতে এসেছি হৃদয়ের ভেতর জমে থাকা সেসব কালাম।
‘দ্য এন্ড’। ঝকঝকে প্রচ্ছদ। প্রচ্ছদ করেছেন লেখক নিজেই। আর ভেতরে খচিত সোনা ঝরানো অক্ষর। লেখক আবুল ফাতাহ’র দক্ষ হাতে নির্মিত একটি থ্রিলার। হিস্টোরিক্যাল থ্রিলার।
২০১৩ সালের রমজান মাসে কোনো এক আর্টিক্যাল পড়তে পড়তে হঠাতই তার দৃষ্টি নিবদ্ধ হলো ইতিহাসযাপিত এক দুর্দান্ত ঘটনা। যেটা নিশ্চিত কোনো থ্রিলার গল্পকে হার মানাবে। তিনি নড়েচড়ে বসলেন। ভাবিত হৃদয়ে তার চিন্তা হতে থাকলো প্রসন্ন। আরও বিস্তর।
মনস্থির করলেন পাঠকের কাছে এমনই এক অজানা লুকিয়ে থাকা ইতিহাস হাজির করবেন খুব শীগগির। কিন্তু ইতিহাস বলবার জন্যেই কি তিনি আবুল ফাতাহ? না না। তিনি সবার চাইতে ভিন্ন।
ভিন্ন সুরে ফিকশনের ভেতর দিয়েই তিনি এ হিস্টোরি লোকমা তুলে খাইয়ে দিতে তিনি হাত দিলেন ‘দ্য এন্ড’এ। কিন্তু মুকদ্দমায় যখন আমাদের গোচর হয়, মাত্র চারদিনে ‘এই নগরীর পথে’ এবং খুবই সামান্য সময়ে ‘অভ্রত্ব’র মত গ্রন্থের রচয়িতা এ আবুল ফাতাহকে ‘দ্য এন্ড’ নির্মাণ করতে হয়েছে চার চারটি বছর সময় নিয়ে, তখন আমাদের ভ্রূকুটি কুঞ্চিত হলেও আমরা নিশ্চিত ভেবে বসতে পারি এখানে আছে শতকোটি সুরাইয়া এবং অনেক অনেক শি’রা।
‘দ্য এন্ড’ পুরোটাই একটা ঘোর। কেসসার পিঠে ভর করে আরেক রহস্য সৃষ্টি হতে না হতেই জেঁকে ধরে অন্যদিক থেকে ভিন্ন সুরে ভিন্ন ভিন্ন রহস্য। মজাটা এখানেই। তাহলে একটু খুলেই বলি।
সময়টা ১৯৪৮ সালের নভেম্বর মাস। সাউথ অস্ট্রেলিয়ার সমরটন বিচে কোনো এক নির্জন সন্ধ্যায় গাছের সঙ্গে হেলান দিয়ে সমুদ্রের দিকে অনেকটা জীবিত’র মত পা দুটো প্রসারিত করে বসে থাকতে দেখা গেল পঞ্চাশোর্ধ একজন মানুষকে। স্পষ্ট হলো এরপর, মানুষটি মৃত।
তিনি কি আত্মহত্যা করেছেন? নাকি খুন? অস্ট্রেলিয়ার উদরে জন্ম নিলো এক ঘোরের। এক রহস্যের। রহস্য আরও প্রখর হলো কালক্রমে। সমরটনম্যানের গোপন পকেট থেকে বেরিয়ে এলো ছোট এক টুকরো কাà