বুধবার, ২৭ মে ২০২৬ ।। ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১০ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে ৪৫ কিলোমিটার যানজট ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক: ট্রাম্পের আহ্বান নাকচ করল সৌদি ও পাকিস্তান দুপুরের মধ্যে ৭ অঞ্চলে ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস ‘সাধারণ আলেম সমাজ’-এর ৭১ সদস্যের কমিটিতে যারা স্থান পেলেন সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে ঈদুল আজহা আজ কালশি বস্তির অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে বিকেএম নেতৃবৃন্দ দেশবাসী ও মুসলিম উম্মাহকে খেলাফত মজলিসের পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা কুরবানি: গ্রামীণ অর্থনীতির মৌসুমি প্রাণশক্তি ভোলায় কালবৈশাখী ঝড়ে উড়ে গেল দাখিল মাদ্রাসার টিনের চাল

কায়রোর প্রথম নারী মিনিবাস চালক ওম আবদুল্লাহ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মিনিবাস হচ্ছে কায়রোর অন্যতম জনপ্রিয় একটি গণপরিবহন। কায়রোতে প্রথম মহিলা চালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছে ওম আবদুল্লাহ নামে এক নারী।

তিনি বোরকা এবং পুরো মুখ ঢাকা নিকাব পরেই মিনিবাস চালান। তার মিনিবাসটি শুধু মাত্র মহিলা যাত্রীদের জন্য।

বিবিস বাংলার এক প্রতিবেদনে জানা যায়, আবদুল্লাহ ড্রাইভারের কাজ শুরু করেন গত বছর তার স্বামী মারা যাবার পর। কিছু অর্থ আয় করাই ছিলো তার উদ্দেশ্য।

বিবিসিকে তিনি বলেন, আমি দেখলাম আমার চলতে হলে তো কিছু করতে হবে। ছেলেমেয়েদের বড় করতে হবে। তখন আমি গাড়ি চালানোর কথা ভাবলাম। গাড়ি চালানো একটা ভালো কাজ। আমি কাজটা পছন্দও করি। তবে এর আগে তিনি কোনদিন মিনিবাস চালান নি।

ওম আবদুল্লাহকে ড্রাইভারের চাকরিটি দিয়েছেন মিনিবাস কোম্পানির প্রধান নির্বাহী ফাতিমা এবং তার স্বামী সায়েদ - যারা ওই কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা।

ফাতিমা বলছিলেন, ওম আবদুল্লাহ তার কাছে বেশ কয়েকবার এসেছিলেন চাকরি খোঁজে।

আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম যে তিনি কি করতে চান। তিনি বললেন 'আমি গাড়ি চালাতে চাই।

কোম্পানিটি মহিলাদের কাজের জায়গায় বাচ্চাদেরও নিয়ে আসতে দেয়।

আমি গর্ভবতী অবস্থাতেও কাজ করেছি - বলেন ফাতিমা। তার নবজাত শিশুকে ডেস্কের পাশে প্রামে রেখেই তিনি অফিসের কাজ করেন।

ওম আবদুল্লাহকে কাজ দেবার ব্যাপারে কিছু পুরুষ ড্রাইভার আপত্তি তুলেছিলেন। কেউ কেউ বলেছিলেন, এখন মহিলারা কাজ করছে, আমাদের তো তাহলে বাড়িতে বসে থাকতে হবে।

আমি তাদের বললাম, আপনারা যদি কাজ করতে না চান তাহলে মহিলারাই করবে - বলছিলেন ফাতিমা। তবে ধীরে ধীরে অবস্থাটা পাল্টাতে লাগলো।

ওম আবদুল্লাহ বলছিলেন, এখন পুরুষ ড্রাইভাররা আমাকে তাদের সহকর্মী হিসেবেই দেখে এবং তারা খুশি। আমি ওদের বলেছি আমি শিখতে চাই। কোন কাজ শেখাই খুব বেশি কঠিন নয়।

ওম আবদুল্লাহ যে মিনিবাস চালান তা শুধু মহিলা যাত্রীদের। তিনি বলছেন, এটা যৌন হয়রানি রোধে কার্যকর।

ওম আবদুল্লাহ আশা করছেন তার দৃষ্টান্ত দেখে ভবিষ্যতে আরো মেয়ে ড্রাইভারের কাজ করতে অনুপ্রাণিত হবে।

এসএস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ