সন্তানের মুখ থেকে কালেমা শুনুন-সে শুদ্ধ করে কালেমা বলতে পারে কি না। খোঁজ নিন, এ পরিমাণ কুরআন তার মুখস্থ আছে কি না যার দ্বারা নামায পড়া যায়।
আমরা যদি এখনই এ বিষয়ে সচেতন না হই তাহলে এ দেশের ভবিষ্যৎ আশংকাজনক। এই জলসায় এ কথাটাই আমি আপনাদেরকে বলতে চেয়েছি এবং আমানত হিসেবে আপনাদের কাছে রেখে যাচ্ছি।
সন্তানের দ্বীন ও ঈমান রক্ষায় সচেতন হোন। পাড়া-প্রতিবেশী, আত্মীয়-স্বজন ও পরিচিত মেয়েদেরকেও এ বিষয়ে সচেতন করুন। তাদেরকে বলুন-দেখুন মা, দেখ বোন, তোমার সন্তানকে যে শিক্ষায় ইচ্ছা শিক্ষিত কর তবে আল্লাহর নাম তাকে শিখিয়ে দাও।
হৃদয়ের গভীরে তাওহীদ ও রিসালাতের বিশ্বাস বসিয়ে দাও। আল্লাহ এক, তাঁর কোনো শরীক নেই। হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর সর্বশেষ রাসূল।
এখনই আমাদের সজাগ হতে হবে। তা না হলে এত ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনা তৈরি হচ্ছে যে, দ্বীন ও ঈমানের সঙ্গে আগামী প্রজন্মের কোনো সম্পর্কই থাকবে না। শিশুদেরকে বোঝানো হচ্ছে, যদি তোমার কোনো কিছু হারিয়ে যায়, অথবা তোমার পছন্দের কোনো জিনিস পেতে চাও কিংবা কোথাও কোনো বিপদ-আপদের সম্মুখীন হয়ে পড় তাহলে একটা কাজ করবে। পথে চলার সময় রাস্তার পার্শ্বে কোনো মন্দির যদি দেখ তাহলে সেখানে গিয়ে প্রার্থনা করবে।
এতে তোমার উদ্দেশ্য সফল হবে এবং তুমি বিপদ থেকে মুক্তি পাবে। এমনকি এ কথাও শুনেছি যে, এক ছাত্র অপর ছাত্রের কলম-খাতা লুকিয়ে রেখে বলে, রাম নাম জপ কর তাহলে খাতা-কলম পেয়ে যাবে। সে যখন রামের নাম উচ্চারণ করেছে তখন গোপনে তার কলম-খাতা ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এভাবে তার কচিমনে এই বিশ্বাস সৃষ্টির প্রয়াস চালানো হয়েছে যে, রামের নাম নিলে সমস্যার সমাধান হয়! হারানো বস্ত্ত ফিরে পাওয়া যায়!
হিন্দুস্তান ওলী-আউলিয়ার ভূমি, মুজাহিদীনের ভূমি, মুজাদ্দিদীনের ভূমি, এখানে মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রাহ. পয়