সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সৌদি আরব ও কাতারের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বিশ্বজয়ী হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরাকে সংবর্ধনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয় লক্ষ্মীপুরে ড্রাম ট্রাকচাপায় বৃদ্ধ ভ্যানচালকের মৃত্যু দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী

গবেষণা তথ্য, বজ্রপাতে আট বছরে ১৮০০ মানুষের মৃত্যু বাংলাদেশে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: চলতি মাসে বজ্রপাতে মৃত্যু প্রায় ৫০ ছাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ

বাংলাদেশে ২০১০ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত বজ্রপাতের ঘটনায় ১৮০০'র বেশি মানুষ মারা গেছে বলে এ গবেষণায় বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এম. এ ফারুকের নেতৃত্বে এ গবেষণাটি করা হয়েছে।

অধ্যাপক ফারুক বিবিসি বাংলাকে বলেন, এ গবেষণার জন্য ২০১০ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত অর্থাৎ আট বছরের তথ্য সংগ্রহ করা হয়।

বাংলাদেশের প্রথম সারির চারটি দৈনিক সংবাদপত্রে বজ্রপাতে মারা যাবার যেসব খবর প্রকাশিত হয়েছে সেগুলোকে একত্রিত করে দেখানো হয়েছে যে আট বছরে বজ্রপাতে নিহতের সংখ্যা ১৮০০'র বেশি।

সে গবেষণায় দেখানো হয়েছে যে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বজ্রপাত হয় সুনামগঞ্জ এবং মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে।

তিনি বলেন, জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সিস্টেম ব্যবহার করে দেখা গেছে রংপুর বিভাগের মধ্যে ঠাকুরগাঁও এবং লালমনিরহাটে সবচেয়ে বেশি বজ্রপাত হয়।

রাজশাহী বিভাগের সবচেয়ে বেশি বজ্রপাত হয় চাঁপাইনবাবগঞ্জে। ময়মনসিংহ বিভাগে সবচেয়ে বেশি বজ্রপাত হয় নেত্রকোনায়। ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি বজ্রপাত হয় কিশোরগঞ্জে।

অধ্যাপক ফারুক বলেন, সুনামগঞ্জে বজ্রপাত বেশি হলেও মানুষ মারা যাচ্ছে বেশি উত্তরাঞ্চলে।

"দুটো বিষয়- একটা জায়গায় বজ্রপাত বেশি হচ্ছে, কিন্তু মারা যাচ্ছে কম। আবার অন্য জায়গায় বজ্রপাত কম হলেও মানুষ মারা যাচ্ছে বেশি," বলছিলেন মি: ফারুক।

অধ্যাপক ফারুক তাঁর গবেষণায় কয়েকটি বিষয় তুলে আনার চেষ্টা করেছেন। বজ্রপাত কেন হচ্ছে? কোথায় বেশি বজ্রপাত হচ্ছে? কত মানুষ মারা যাচ্ছে?

গবেষণায় এসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করেছেন অধ্যাপক ফারুক এবং তাঁর সহকারীরা। তিনি ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তিনি আলাস্কা এবং কানাডায় বজ্রপাত নিয়ে গবেষণা করেন।

সেখান থেকে ফিরে বাংলাদেশের বজ্রপাতের বিষয়ে মনোযোগী হয়ে উঠেন অধ্যাপক ফারুক। তিনি বলেন, "২০১৬ সালের মে মাসের মাঝামাঝি বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় বজ্রপাতে একই দিন ৫৭জন মানুষ মারা যায়। এরপর বিষয়টি নিয়ে আমি গবেষণায় আগ্রহী হয়ে উঠি।"

বজ্রপাত নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে তিনি ১৯৮০'র দশক থেকে খবরের কাগজ সে সংক্রান্ত তথ্য খুঁজতে থাকà§