সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিন শেষ হয়ে এলে  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান

‘পাকিস্তানপন্থী তাবলিগ’ এবং কিছু দুঃখগাঁথা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি লুৎফুর রহমান ফরায়েজী: এমন দিনও দেখতে হবে কখনো কল্পনায়ও আসেনি। এ সুন্দর সাজানো বাগান। আমরা এর বাইরের সৌন্দর্যে যেমন মুগ্ধ হয়েছি। তেমনি সাময়িক সময়ের মেহমান হয়ে আরো বেশি আকৃষ্ট হয়েছি এ বাগানের সুঘ্রাণে।

আমরা ছিলাম যার একান্ত ভক্ত। অনুরক্ত। যে তাবলিগের বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে ছলকে উঠতো আমাদের রক্ত। লেখায় বয়ানে, বক্তৃতায় আমরা প্রতিবাদ করতাম। দলিলের আলোকে সমুচ্চ করে তুলতাম দাওয়াত ও তাবলিগের মানহাজ ও পদ্ধতিকে।

ভারত, পাকিস্তান বাংলাদেশসহ পুরো বিশ্বের হক্কানি উলামাগণ পূর্ণাঙ্গ সাপোর্ট দিয়েছে তাবলিগ জামাতকে। কখনো তাবলিগের মুরুব্বী সেজে মাতব্বরী করার খাহেশ জাহির করেননি বরেণ্য কোন শাইখুল হাদিস কিংবা আল্লামা। যে যার কাজে দরস-তাদরীস, ফিকহ-ফাতওয়া নিয়েই মগ্ন ছিলেন। সময় পেলে তাবলিগি মুরুব্বীদের অধীনেই দ্বীনী তাকাজায় শরিক হতেন। নিজেরা কখনো তাদের আসনে বসার ইচ্ছে প্রকাশ আগেও করেননি, এখনো নয়।

বিজ্ঞ উলামাগণের মত কুরআন ও হাদিসের শিক্ষা প্রদান, মুফতিয়ানে কেরামের মত ফিকহ ও ফাতওয়া নিয়ে সুচিন্তিত মত পেশ করার সময়, সুযোগ, অনেক ক্ষেত্রে যোগ্যতা যেমন তাবলিগি মুরুব্বীদের অনেকেরই নেই, তেমনি তাবলিগের সাথীদের মত সব কিছু ছেড়ে দিয়ে তাবলিগের মারকাজে পড়ে থেকে এ কাজে জড়িয়ে থাকার সুযোগ বিজ্ঞ উলামা হযরতের নেই।

তাই উভয় জামাত উভয় জামাতকে মুহাব্বত করেন। ভালবাসেন। কল্যাণকামী। সবাই সবার কাজ করে যাচ্ছেন। নিষ্ঠার সাথে। এক জামাত অন্য জামাতের সহযোগী। হিতাকাঙ্ক্ষী। বিরোধী বা প্রতিপক্ষ নয়।

ইখলাস, লিল্লাহিয়্যাত, রবের সন্তুষ্টির জন্য সব কিছু কুরবান করা, খিদমতে খালক, উত্তম চরিত্র, অন্যকে প্রাধান্য দেয়ার মানসিকতা, বড়দের শ্রদ্ধা, ছোটদের স্নেহ, সুন্নতের পাবন্দ, সাহাবা আজমাঈনের আখলাকের জলন্ত প্রতিচ্ছবি, ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য ছিল তাবলিগি সাথী ও মুরুব্বীদের প্রধান পরিচয়। পুরো বিশ্ব জোরে এ কাজের দ্যুতি দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়ার পিছনে ছিল এসব আখলাকী চালিকাশক্তি।

কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে এ নববী মেহনতের কাজের ভিতরে জমা বাঁধছিল কিছু ময়লা। আবর্জনা। যা আমাদের অজান্তেই নষ্ট করে দিচ্ছিল সুন্দর সাজানো বাগানের পরিবেশ। আল্লাহ হিফাযত করুন।

এ সংকটের জন্য দায়ী কারা?

আমি আল্লাহর কসম করে বলতে পারি, দৃঢ়তার সাথে বলতে পারি, তাবলিগের এ চলমান সংকটের জন্য দেওবন্দের ফাতওয়া, কিংবা বাংলাদেশের উলামাগণের প্রতিবাদ মোটেও দায়ী নয়। হতেই পারে না। তাবলিগের চলমান সংকট বিষয়ে বাংলাদেশের শীর্ষ উলামাগণ সভা করেছেন ২০১৭ সালের ১à