সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিন শেষ হয়ে এলে  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান

বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় সৌদি আরবের আল-আহসা মরুদ্যান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : জাতিসংঘের সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো বিশ্বের আরো তিনটি স্থানকে বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে রয়েছে সৌদি আরবের একটি মরুদ্যান, ওমানের প্রাচীন শহর এবং কেনিয়ার শুষ্ক পাথরের দেয়াল।

শুক্রবার বাহরাইনে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ কমিটির ৪২তম বৈঠকে এ ঘোষণা দেওয়া হয় বলে ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এ ছাড়া তালিকায় আরো বেশ কিছু স্থানের নাম রয়েছে যা পর্যায়ক্রমে ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে কমিটি।

সৌদি আরবের আল-আহসা মরুদ্যান। এটিকে পূব আরব উপদ্বীপের বিবর্ধিত সাংস্কৃতিক ভূদৃশ্য হিসেবে বিবেচনা করা হতো। ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ কমিটি আল-আহসা মরুদ্যানকে একটি সারিবদ্ধ সম্পত্তি হিসেবে বর্ণনা করেছে, যেখানে বাগান, খাল, ঝর্ণা, কূয়া ও নিষ্কাশন হ্রদ ছাড়াও রয়েছে ঐতিহাসিক ভবন, শহুরে অবকাঠামো এবং প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।

তালিকার দ্বিতীয় স্থানটি হচ্ছে ওমানের দেয়ালে ঘেরা প্রাচীন কালহাট শহর। দেশটির পূর্ব উপকূলে অবস্থিত এই শহরটি একদশ থেকে পঞ্চদশ শতকের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। আরবের পূর্ব উপকূল, পূর্ব আফ্রিকা, ভারত, চীন ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যকার বাণিজ্য সম্পর্কের অনন্য প্রত্নতাত্ত্বিক সাক্ষ্য বহন করে এই স্থাপনাটি।

বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত অপর স্থানটি হচ্ছে কেনিয়ার মিগোরি শহরের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত থিমলিচ ওহিঙ্গা নামের শুষ্ক পাথর। দেয়ালটি ষোড়শ শতকে নির্মাণ করা হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করছে কমিটি। ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ কমিটির মতে, এই স্থাপনাটি একদিকে যেমন সেখানকার মানুষ ও পশুর জন্য দুর্গ হিসেবে কাজ করে তেমনি সামাজিক স্বত্ত্বা ও বংশীয় যোগসূত্র রক্ষা করেছে। ঐতিহ্যবাহী এই পরিবেষ্টনটি বৃহৎ ও সবচেয়ে সংরক্ষিত বলেও উল্লেখ করেছে কমিটি।

 


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ