বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৩০ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৫ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
ইসলামী আন্দোলনের আমীর সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করতে কাউকে অনুরোধ করেন নাই কুষ্টিয়ায় শীতার্তদের দ্বারে দ্বারে ‘রেডিয়েন্ট সার্কেল’ বাড্ডায় নাহিদ ইসলামের নির্বাচনী অফিসে গুলি লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট জামিয়া ইসলামিয়া হোসাইনিয়ায় তাকমীল জামাতের সমাপনী দরস অনুষ্ঠিত একবাক্স নীতি বহাল রাখতে আলোচনা চলমান: গাজী আতাউর রহমান হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ জামায়াত প্রার্থীর বিরুদ্ধে তিনি কাঁদলেন, কারণ তিনি চেয়েছিলেন ঐক্য নেতাকর্মীদের অপ্রীতিকর কিছুতে না জড়াতে বললেন জামায়াত আমির ১২ ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে : মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

মৃত্যুঝুঁকি থাকলেও পাহাড় ছাড়তে নারাজ বাসিন্দারা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মৃত্যুঝুঁকি থাকলেও পাহাড় ছাড়তে নারাজ পাহাড়ের বাসিন্দারা।

অনেকটা জোর করেই তাদের আশ্রয়কেন্দ্রে পাঠাচ্ছে প্রশাসন। পাহাড়ে বসবাসকারীদের দাবি, আশ্রয়কেন্দ্র নয়, স্থায়ী পুনর্বাসন করতে হবে তাদের।

জেলা প্রশাসনের হিসেবে, বান্দরবানের বিভিন্ন পাহাড়ে ঝুঁকি নিয়ে বাস করছে ২ হাজারেরও বেশি মানুষ, যা বাস্তবে ৫ হাজারেরও বেশি বলে দাবি স্থানীয়দের।

রাঙামাটিতে এ সংখ্যা ১৫ হাজারেরও বেশি। খাগড়াছড়িতে প্রায় ৫ হাজার। প্রতিবছরই ভারী বৃষ্টি হলে পাহাড়ের বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে নির্দেশ দেয় প্রশাসন।

কখনো কখনো অভিযান চালিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে নেয়া হয় অনেককে। তবে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেই আবার ফিরে যায় পাহাড়ে।

স্থায়ী পুনর্বাসনের দাবি উঠলেও, প্রশাসন বলছে বাসযোগ্য জমি না পাওয়ায় পুনর্বাসন সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে শুধু সচেতন করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে কার্যক্রম। তবে এবছর আরো কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।

পাহাড় ধসে চলতি বছর এ পর্যন্ত বান্দরবানে মারা গেছেন আট জন আর রাঙামাটিতে ১১ জন। গত বছর ১৩ জুন রাঙামাটিতে মারা যায় ১শ ২০ জন।

দাওরায়ে হাদিসের (মাস্টার্স) ফলাফল প্রকাশ আজ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ