সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সৌদি আরব ও কাতারের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বিশ্বজয়ী হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরাকে সংবর্ধনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয় লক্ষ্মীপুরে ড্রাম ট্রাকচাপায় বৃদ্ধ ভ্যানচালকের মৃত্যু দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু আজ, প্রচারণার নির্দেশ

মাল হাতে পাওয়ার আগেই অন্যত্র বেচা যাবে কী? শরিয়ত কী বলে?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি মুহাম্মাদ শোয়াইব

কোনো কোনো ব্যবসায়ী আছেন, যাদের কাছে মাল মজুত থাকে না, তারা নিজেদের কাছে মালের নমুনা রাখেন মাত্র। গ্রাহককে নমুনা দেখিয়ে ক্রয়-বিক্রয় করেন। পারস্পরিক ক্রয়-বিক্রয় করার পর ক্রেতার কাছ থেকে মূল্য নিয়ে অন্য আড়তদার থেকে মাল ক্রয় করে ক্রেতাকে সরবরাহ করেন।

যেমন জনৈক ব্যবসায়ী এক ব্যক্তির কাছে ২ লাখ টাকার বিনিময়ে এক হাজার গেঞ্জি নমুনা দেখিয়ে কয়েক দিন পর হস্তান্তর করার চুক্তিতে বিক্রি করেছেন এবং বেচাকেনার সময়ই তার মূল্য গ্রহণ করে নিয়েছেন।

কিন্তু তার কাছে বেচাকেনার সময় ওই গেঞ্জি ছিল না। তিনি কোনো ফ্যাক্টরিতে অর্ডার দিয়ে তা তৈরি করে ক্রেতাকে হস্তান্তর করবেন- এ হচ্ছে তার নিয়ত।

অথবা একজন আমদানিকারক, যিনি বিদেশ থেকে বিভিন্ন মালামাল আমদানি করেন। বিভিন্ন বিদেশি পণ্যের নমুনা এনে দেশীয় কোম্পানির কাছে বিক্রি করেন। এক্ষেত্রে তিনি শুধু নমুনা দেখিয়ে দেশীয় কোম্পানির সঙ্গে মূল্য নির্ধারণপূর্বক বেচাকেনা সম্পন্ন করেন এবং অগ্রিম টাকাও নিয়ে নেন। এরপর বিদেশি বিক্রেতার সঙ্গে চুক্তি করেন।

বিদেশি বিক্রেতার কাছ থেকে মাল ক্রয় করে দেশীয় কোম্পানিকে হস্তান্তর করেন। এ ধরনের নানা ব্যবসায়িক পদ্ধতি আমাদের দেশে প্রচলিত রয়েছে। জানার বিষয় হলো, এভাবে নমুনা দেখিয়ে অগ্রিম মাল বিক্রি করা জায়েজ হবে কি না?

আধুনিক মাসায়েল জানতে সংগ্রহ করুন এ বইটি

সামগ্রিকভাবে এই প্রশ্নের জবাব আসে না। এ ধরনের ব্যবসা জায়েজ নয়। কেননা এজাতীয় ব্যবসায় যে পণ্যটি বিক্রেতার মালিকানায় নেই সেরকম একটি পণ্যকে বিক্রি করা হয়। আর কোনো পণ্যকে নিজের মালিকানায় হস্তগত করার আগে ওই পণ্য বিক্রি করা জায়েজ নেই।

যদিও এ বিষয়ে মাজহাবের ইমামদের মাঝে কিছুটা মতবিরোধ পরিলক্ষিত হয়। যেমন- ইমাম শাফেঈ ও ইমাম মুহাম্মাদ রহ. এর কাছে পণ্য খাদ্যদ্রব্য হোক বা অন্য বস্তু হোক, স্থাবর হোক বা অস্থাবর, হস্তগত করার আগে তা বিক্রি করা সম্পূর্ণ নাজায়েজ। (তাকমিলায়ে ফাতহুল মুলহিম ১/৩৩৮; আলমুগনী ৪/১১৩)।

ইমাম আবু হানিফা রহ. ও ইমাম আবু ইউসুফ রহ. বলেন, অস্থাবর জিনিস, চাই তা খাদ্যদ্রব্য হোক বা অন্যকিছু, হস্তগত করার আগে বিক্রি করা সম্পূর্ণ নাজায়েজ। তবে স্থাবর জিনিস হস্তগত করার আগে বিক্রি করা জায়েজ।

ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল রহ. বলেন, শুধু খাদ্যদ্রব্য হস্তগত করার আগে বিক্রি করা নাজায়েজ।

ইà