সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সৌদি আরব ও কাতারের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বিশ্বজয়ী হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরাকে সংবর্ধনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয় লক্ষ্মীপুরে ড্রাম ট্রাকচাপায় বৃদ্ধ ভ্যানচালকের মৃত্যু দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু আজ, প্রচারণার নির্দেশ

‘দাওয়াতে-তাবলিগে ফাঁটল সৃষ্টির মৌলিক ৩ কারণ’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

শুক্রবার (৩১ আগস্ট) অনুষ্টিত হলো কক্সবাজার জেলা মারকাযে তাবলিগি সাথীদের ত্রৈমাসিক জোড়। এতে প্রায় ১০০ টির বেশি দেশ সফরকারী, কাকরাইলের মুরব্বী মাওলানা নজরুল ইসলাম কাসেমী গুরুত্বপূর্ণ বয়ান পেশ করেন।

আওয়ার ইসলাম পাঠকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সে বয়ানটি অনুলিখন করেছেন হাফেজ মাওলানা রিদওয়ানুল কাদির।

হামদ এবং সালাতের পর! মাওলানা ইলিয়াছ রহ. দাওয়াতের মকসাদ হিসেবে উল্লেখ করতেন, রাসুল সা. এর ওফাতের দিন উম্মত যে অবস্থায় ছিলো, সে অবস্থায় উম্মতকে নিয়ে যাওয়া।

ইলিয়াছ রহ. এর দরদ আর ব্যথা এমন ছিলো, তা দুনিয়া থেকে আরশ পর্যন্ত পৌঁছে যায়।

তিনি উম্মতকে এমন একটা প্লাটফর্মে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছিলেন যে, পুরো উম্মত এক শরীর, এক দেহ, এক কলবে পরিণত হয়েছিলো। যেখানে ছিলোনা কোন ধনী-গরিব, কৃষ্ণাঙ্গ-শ্বেতাঙ্গ, আরব-আজম, মালিক-শ্রমিক, উঁচু-নীচু, শিক্ষিত-অশিক্ষিত, শহুরে-গাঁয়ের পার্থক্য।

পুরো উম্মত বসে যতো এক দস্তরখানে। আজকে এই উম্মত দুই ভাগে বিভক্ত হলো কেন?

আগে আলেমরা তাবলিগের কাজে সময় দিতেন, তাবলিগি ভাইদের পিঠে হাত বুলিয়ে দিতেন। যারা ব্যস্ততার দরুন সময় দিতে পারতেন না, তারা সম্ভাব্য সব উপায়ে দাওয়াতের সাহায্য -সহযোগিতা করতেন।

কিন্তু আজ কী হলো, আলেমরা জায়গায় জায়গায় গিয়ে ওজাহাতি জোড় করছেন? আমাদের ভুল ধরছেন?

ভাই! এই কাজ শুরু হলো কার মাধ্যমে? মাওলানা ইলিয়াছ রহ. এর মাধ্যমে। তিনি তো একজন আলেম ছিলেন।

হিন্দুস্তানে উম্মতের গোমরাহি দেখে তিনি যারপরনাই পেরেশান হয়ে চলে গেলেন মক্কা শরীফ। সেখানে স্বপ্নযোগে রাসুল সা. তাকে এই কাজের তারতিব বলে দেন।

সাথে সাথে তিনি এই কাজ শুরু করেননি, বরং এই কাজের তারতিব তিনি তৎকালীন যুগের শ্রেষ্ঠ আলেমদের সামনে উপস্থাপন করেন। তন্মধ্যে অন্যতম ছিলেন মুফতী কিফায়তুল্লাহ রহ., মাওলানা খলীল আহমদ সাহারানপুরী রহ., মাওলানা হোসাইন আহমদ মদনী রহ., মাওলানা রায়পুরী রহ., শাইখুল হাদীস যাকারিয়া রহ. প্রমুখ।

হাকীমুল উম্মত মাওলানা থানভী রহ. এর সামনে কাজের তারতিব উপস্থাপন করলে তিনি বলেছিলেন, কাজ তো বহুত উঁচা! কিন্তু কাজটা করবে কে?

কিন্তু পরবর্তীতে থানভী রহ. জামাতের কাজকর্ম দেখে খুশি প্রকাশ করে বলেছিলেন, আমার ইলিয়াছ তো নিরাশাকে আশায় পরিণত করে দিয়েছে!

আর বাংলাদেশে যিনি এই কাজ নিয়ে এসেছেন, তিনিও একজন আলেম। তিনি হলেন বড় হুজুর মাওলানা আব্দুল আজিজ রহ.। আল্লামা শমসুল হক ফরিদপুরী (à¦