মাওলানা আবুল বাশার নোমানী। বিশিষ্ট আলেম, শিক্ষাবিদ। রাজধানীর অন্যতম সেরা মাদরাসা মিরপুর-১৪ জামেউল উলুমের শাইখুল হাদিস ও প্রিন্সিপাল। একাধিক মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা। ইলমে দ্বীন শিক্ষার প্রসারের সাথে সাথে দাওয়াত ও তাবলিগেরও একনিষ্ঠ কর্মী।
সম্প্রতি তাবলিগ জামাতের একটি বিদ্রোহী (এতাআতি) গোষ্ঠী বিশ্ব ইজতেমাস্থল টঙ্গী মাঠের গেট ভেঙ্গে মাঠের পাহারারত, ইবাদাতরত, অবস্থানরত তাবলিগের নিরিহ মুসল্লি, মাদরাসার ছাত্র, শিক্ষক, আলেম-ওলামা যাকে পেয়েছে সবাইকে সশস্ত্র হামলা করেছে।
এসব নিয়ে তার সাক্ষাৎকার নেন হাসান আল মাহমুদ। সঙ্গে ছিলেন মাওলানা আসাদুল্লাহ ও মাওলানা আকীদুল ইসলাম।
আওয়ার ইসলাম: দাওয়াত ও তাবলিগের ইতিহাসে এমন নৃশংসতার ঘটনা কখনো তো ঘটেনি। যারা এমন নৃশংসতা চালালো, তারা এতো উগ্রবাদী হয়ে ওঠলো কিভাবে, কোন উদ্দেশ্যে?
মাওলানা আবুল বাশার নোমানী: সূচনাটা মূলত ভারতের দাওয়াত ও তাবলিগের নিজামুদ্দিন মারকাযে। মাওলানা সাদ কান্ধলভীর বিতর্কিত বিষয়গুলো কেন্দ্র করেই মূলত এই দ্বন্দ্বটা। তো ওখানে নানাভাবেও যখন দ্বন্দ্বের নিরসন হয়নি, তখন মারকায হয়ে যাই দুই ভাগ। মারকাযে হয় মারামারিও।
সে মুহূর্তে মাওলানা আরশাদ মাদানী ছিলেন এতেকাফে। তিনি এতেকাফ শেষ করে এসে দ্বন্দ্ব মেটানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু বিতর্কিত ব্যক্তিগণ তা আমলে নেননি।
সেখানকার স্রোত এসে পড়ে আমাদের বাংলাদেশেও। বিতর্কিত ব্যক্তিদের অনুসারীরা এদেশেও বিশৃঙ্খলার পাঁয়তারা করে। আর এভাবে তারা উগ্রতার পথে হাঁটে।
শেষমেশ তারা যখন দেখলো বিশ্ব ইজতেমা ওলামায়ের কেরামের নেতৃত্বে মূলধারা তাবলিগের হাতে চলে যাচ্ছে, তখন তারা সেটি বানচাল করার অপচেষ্টায় টঙ্গী মাঠে হামলা করে।
আওয়ার ইসলাম: নৃশংস এ হামলার নেপথ্যে কাদের ইন্ধন বলে মনে করেন?
মাওলানা আবুল বাশার নোমানী: মুষ্টিমেয় কিছু লোক। ওরাই এই হামলার নেপথ্যে ইন্ধন যুগিয়েছে।
আওয়ার ইসলাম: টঙ্গী মাঠে হামলা সম্পর্কে কেউ কেউ এও বলে থাকেন, তারা (এতাআতি পন্থী) ইজতেমা মাঠ দখল করতেই এমন হামলা চালিয়েছে। তো, ইজতেমা মাঠের হকদার আসলে কারা?
মাওলানা আবুল বাশার নোমানী: হকের ওপর আছেন ওলামাবান্ধব তাবলিগ জামাত, এ কারণে তাদের হাতেই এ জিম্মাদারী সবসময় থাকতে হবে। তাছাড়া উলামায়ে কেরাম ছাড়া দীন রক্ষার মতো উত্তম আর কে আছে।
আর উলামায়ে কেরামের সর্বসম্মত রায় হলো মাওলানা সাদ কাà