বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ফরিদগঞ্জে রাজকীয় বিদায় ৬ অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের   বাংলাদেশ কওমী যুব ফোরামের আহ্বায়ক কমিটি, আহ্বায়ক সাখী সদস্য সচিব তানজিল কুয়েতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান বাংলাদেশ দূতাবাসের  সৌদি আরব গেছেন সিরাত অলিম্পিয়াডের ওমরাহ বিজয়ী নাজিফা খান   ‘১৫ হাজার শিশু নিখোঁজ’ সম্পর্কে যে তথ্য দিলেন পুলিশ বিশ্ব ইজতেমা শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনে সরকার বদ্ধপরিকর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মির্জা আব্বাসের অশ্রুসিক্ত বক্তব্যে থমকে গেল সংসদ ডা. জুবাইদা রহমানের হাতে জিয়া স্মৃতি বইমেলার উদ্বোধন শাপলা ও জুলাই গণঅভ্যুত্থান যুক্ত হচ্ছে কওমি মাদরাসার সিলেবাসে সাংবাদিকদের বেতন নিয়মিতকরণের দাবিতে বিএফ‌ইউজে এবং ডিইউজের উদ্যোগে বিক্ষোভ সমাবেশ

মিয়ানমার সব মুসলিমদের তাড়াতে চায়

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মিয়ানমার থেকে তাড়িয়ে দিতে চায় সব মুসলিমদের দেশটির কর্তৃপক্ষ। মিয়ানমারে কয়েক দশক ধরে রোহিঙ্গাদের অধিকার নিয়ে লড়াই চালিয়ে যাওয়া সুপরিচিত আইনজীবী ও অধিকারকর্মী ইউ কিয়াও হ্লা অং আলজাজিরাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন মন্তব্য করেছেন।

গতকাল শুক্রবার সাক্ষাৎকারটি প্রতিবেদন আকারে প্রকাশ করেছে আলজাজিরা। মুসলিম সংখ্যালঘুদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখার জন্য সম্প্রতি তিনি আর্মেনিয়া থেকে পুরস্কার পেয়েছেন। পুরস্কারের সেই অর্থও দান করেছেন রোহিঙ্গাদের কল্যাণে।

হ্লা অং বলেন, ১৯৪৮ সালের নাগরিকত্ব আইন অনুযায়ী একজন ব্যক্তি ১০ বছর এবং আট বছর একটানা মিয়ানমারে বসবাস করলে তিনি নাগরিকত্ব পাওয়ার যোগ্য। কিন্তু ১৯৮২ সাল থেকে তারা (মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ) আমাদের নাগরিকত্ব অস্বীকার করে আসছে।

অধিকারকর্মী আরো বলেন, ১৯৬৪ সালে মিয়ানমারের তৎকালীন শাসক জেনারেল নে উইন ভারতীয়, পাকিস্তানি ও চীনাদের মালিকানাধীন সব দোকান, জমি এবং কোম্পানি জাতীয়করণ করেন। তিনি মিয়ানমার থেকে সব বিদেশিদের বের করে দেন। কিন্তু সে সময় তিনি রোহিঙ্গাদের বিতাড়িত করেননি।

বার কয়েক জেল খাটা আইনজীবী হ্লা অং আরও বলেন, রোহিঙ্গারা এখানকারই অধিবাসী, এর আগের প্রধানমন্ত্রী ইউ নুসহ সব গণতান্ত্রিক সরকার তাদের স্বীকৃতি দিয়েছে।

১৯৮২ সালে সেনা অভ্যুত্থানের পর দেশটির কর্তৃপক্ষ জানায়, মুসলিমরা মিয়ানমারের মানুষ নয়। মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের বর্তমান অবস্থার বর্ণনায় তিনি বলেন, সরকার রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে জোটবদ্ধ। আগে রোহিঙ্গারা পুলিশ, মিলিটারি, প্রশাসনে প্রতিনিধিত্ব করত। এখন আর তাদের কোনো অস্তিত্ব নেই এসব জায়গায়।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ