শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ফরিদগঞ্জে রাজকীয় বিদায় ৬ অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের   বাংলাদেশ কওমী যুব ফোরামের আহ্বায়ক কমিটি, আহ্বায়ক সাখী সদস্য সচিব তানজিল কুয়েতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান বাংলাদেশ দূতাবাসের  সৌদি আরব গেছেন সিরাত অলিম্পিয়াডের ওমরাহ বিজয়ী নাজিফা খান   ‘১৫ হাজার শিশু নিখোঁজ’ সম্পর্কে যে তথ্য দিলেন পুলিশ বিশ্ব ইজতেমা শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনে সরকার বদ্ধপরিকর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মির্জা আব্বাসের অশ্রুসিক্ত বক্তব্যে থমকে গেল সংসদ ডা. জুবাইদা রহমানের হাতে জিয়া স্মৃতি বইমেলার উদ্বোধন শাপলা ও জুলাই গণঅভ্যুত্থান যুক্ত হচ্ছে কওমি মাদরাসার সিলেবাসে সাংবাদিকদের বেতন নিয়মিতকরণের দাবিতে বিএফ‌ইউজে এবং ডিইউজের উদ্যোগে বিক্ষোভ সমাবেশ

আরও বেশি সন্তানের জন্ম দিন: অন্ধ্রের মুখ্যমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: যে দেশের সরকার বছরের পর বছর ধরে প্রচার করছে, দুটির বেশি সন্তান নয়, সে দেশেরই এক প্রাদেশিক মন্ত্রী জন্মনিয়ন্ত্রণ নীতির ঠিক বিপরীত পথে মানুষকে ডাকছেন। ভারতের কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে গিয়ে দেশটির অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ও তেলেগু দেশম দলের নেতা চন্দ্রবাবু নাইডু মানুষকে ‘পরামর্শ’ দিচ্ছেন, ‘আরও বেশি সন্তানের জন্ম দিন।’ শুক্রবার (২৫ জানুয়ারি) অন্ধ্রের রাজধানী অমরাবতীতে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ ‘পরামর্শ’ দেন।

শুধু তাই নয়; মানুষ যাতে আরও বেশি সন্তানের জন্ম দিতে উৎসাহী হয়, সেজন্য ‘সচেতনতা’ সৃষ্টি করবেন বলে জানিয়েছেন চন্দ্রবাবু। তার কথায়, ‘এখনকার দিনে যুবক-যুবতীরা বিয়ে করতে চায় না। যদি তারা বিয়ে করতে রাজি হয়ও, তাহলে সন্তানের জন্ম দিতে চায় না। এটা এক বিপজ্জনক প্রবণতা।’

তার মতে, ‘আমাদের পরিবারগুলোই দেশের গর্ব। আমাদের উচিত পরিবারকে রক্ষা করা। আমাদের বার বার মানুষকে বোঝাতে হবে, কেন সন্তান-সন্ততির জন্ম দেওয়া উচিত।’

একসময় যে দম্পতির দুটির বেশি সন্তান আছে, তাদের পঞ্চায়েত ভোটে লড়তে দেওয়া হতো না। সেকথা উল্লেখ করে চন্দ্রবাবু বলেন, ‘এখন ওই নিয়ম তুলে দেওয়া হয়েছে। আমরা মানুষকে আরও বেশি সন্তানের জন্ম দেওয়ার জন্য উৎসাহ দিচ্ছি। কোনও দম্পতির যদি চারটি সন্তান হয়, তাহলেও ক্ষতি নেই।’

এবারই প্রথম নয়; এর আগেও এমন পরামর্শ দিয়েছেন চন্দ্রবাবু নাইডু। ২০১৫ সালেও তিনি ‘আরও বেশি সন্তানের জন্ম দেওয়া’র আহ্বান জানিয়েছিলেন। সেবার নারীদের এক সেলফ হেলপ গ্রুপের অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘চীন, জাপান এবং ইউরোপের বহু দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধি হচ্ছে না। তাদের কাছে এটা এক বিরাট সমস্যা। সেদিক থেকে ভারত সুবিধাজনক অবস্থানে আছে। কিন্তু আগামী দিনে এদেশেও জনসংখ্যা কমতে পারে। এখনই দেশে মৃত্যুহারের থেকে জন্মহার কম।’

বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বাধিক জনসংখ্যার দেশ এখন ভারত। ২০১৭ সালের এক হিসাবে, বর্তমানে দেশটির লোকসংখ্যা ১৩০ কোটির কিছু বেশি। এই অবস্থায়ও চন্দ্রবাবু চাইছেন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাক। সূত্র– এনডিটিভি।

কেপি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ