আওয়ার ইসলাম: যুক্তরাষ্ট্রের লুইসিয়ানা অঙ্গরাজ্যে বাবা-মাসহ পাঁচজনকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে।
বিবিসি বলছে, গতকাল শনিবার লুইসিয়ানার রাজধানী ব্যাটন রাগের দক্ষিণের অ্যাসসেনশন এবং লিভিংস্টনে এ ঘটনা ঘটে।
কর্তৃপক্ষ বলছে, পৃথক দুটি স্থানে গুলি চালিয়ে পাঁচজনকে হত্যার পর পালিয়ে যান এক বন্দুকধারী। ২১ বছর বয়সী সন্দেহভাজন বন্দুকধারীর নাম ডাকোটা থেরিওট।
হত্যাকাণ্ডের পর তিনি ধূসর এবং রুপালী রংয়ের একটি পিকআপ ট্রাকে পালিয়েছেন।অ্যাসসেনশন প্যারিস শেরিফ ববি ওয়েবরে জানিয়েছেন, হত্যাকারী ব্যক্তির কাছে বিপদজনক অস্ত্র ছিল।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এলিজাবেথ এবং কেইথ থেরিওট নামে দুজনকে দেখতে পান।
তারা কর্মকর্তাদের জানিয়েছেন, তাদের ছেলেই তাদের দুজনকে গুলি করেছে। কিছুদিন আগেই তারা তাদের ছেলেকে বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে বলেছিলেন। সে কারণে ক্ষুব্দ হয়ে গুলি করে । হাসপাতালে নেওয়ার পরেই মা-বাবা মারা যান।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথমেই প্রতিবেশী লিভিংস্টোন প্যারিসে তিনজনকে গুলি করে ওই বন্দুকধারী।
এদিকে মৃত্যুর আগে এলিজাবেথ এবং কেইথ থেরিওট পুলিশকে জানায়, বন্দুকধরী ওই যুবক ছিল তাদের ছেলে। সে সম্প্রতি তাদেরকে বাড়ি থেকে বের হয়ে যেতে বলে। এবং বলেছিল যেন আর কখনো বাড়ি না ফেরে।
বর্তাসংস্থা এপিকে নিহত প্রেমিকা সামারের খালা (মায়ের বোন) ক্রাইস্টল ডিইয়াং বলেন, ‘ডাকোটা থেরিতের সঙ্গে আমাদের পরিবারের আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিল না। তবে সামার ও তার ভালোবাসার সম্পর্ক ছিল। কিছুদিন আগে থেরিতের জন্মদিনে তাদের বাড়িতে আমরা গিয়েছিলাম। তার আচরণে মনে হয়েছে সে কোনো কারণে বিরক্ত।’
এদিকে পুলিশ ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত ডাকোটা থেরিতকে খুঁজছে। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকারী ঘটনার পরপরই গাড়ি নিয়ে পার্শ্বের প্রদেশ মিসিসিপিতে পালিয়েছে। সেখানে গিয়ে সে তার ফেসবুক পেজে গত জুন মাসের একটি পোস্ট পুনরায় করেছে। যেখানে সে লিখেছে, ‘আমার ইচ্ছে ছিল কোনো একদিন আমি আমার অন্তরকে পরিষ্কার করবো।’
-আরএইচ