বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬ ।। ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
১০ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত মাদরাসার বেতন সমস্যা দ্রুত সমাধানের আশ্বাস শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অল্প বয়সেই হাফেজ হয়ে প্রশংসা কুড়াচ্ছে রুবায়েত ও মৃদুল বিশ্বকাপে বিশেষ সম্মান পেল কালিমাখচিত সৌদির পতাকা বুধবার মৌলভীবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, বন্ধ থাকবে ৯২টি চা বাগান কবিতায় ‘কাঠপেন্সিল তরুণ লেখক পুরস্কার’ পাচ্ছেন জিয়া হক আমি না-থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্বই থাকত না : ট্রাম্প ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে আবার সোনালি যুগে ফিরিয়ে নিতে চাই’ ইরান আবারও পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে চাইলে, নরক নেমে আসবে: ট্রাম্প স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের চিঠি

৪ বছর স্কুলে অনুপস্থিত থেকেও বেতন তোলেন নিয়মিত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে অনুপস্থিত থেকেও নিয়মিত বেতন তোলার অভিযোগ উঠেছে দিনাজপুর চিরিরবন্দরের রাজাপুর এসসি দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক প্রদীপ কুমার রায়ের বিরুদ্ধে।

জানা যায়, সহকারী শিক্ষক হয়েও চার বছর ধরে বিদ্যালয়ের অনুপস্থিত থেকেই নিয়মিত বেতন-ভাতা তুলছেন স্কুল শিক্ষক প্রদীপ কুমার রায়।

আজ রোববার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে সরেজমিনে উপজেলার রাজাপুর এসসি দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয় গিয়ে সহকারী শিক্ষক প্রদীপ কুমার রায়কে পাওয়া যায়নি। শিক্ষক হাজিরা খাতায়ও তার অনুপস্থিতির চিত্র পাওয়া গেছে।

সহকারী শিক্ষক প্রদীপ কুমার রায় চিরিবন্দর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-দপ্তর সম্পাদক ও তার স্ত্রী তরুবালা রানী রায় চিরিরবন্দর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এবং উপজেলা যুব মহিলা আওয়ামী লীগের সম্পাদিকা।

প্রধান শিক্ষক আরোও জানান, ধর্ম শিক্ষক প্রদীপ কুমার রায় স্কুলে অনুস্পস্থিত থেকেও কিছুদিন পরপর এসে এক সঙ্গে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন। এবং তিনি তার বিষয়ে ক্লাস নিতে তার বদলি হিসাবে ৫ হাজার টাকা বেতন দিয়ে সঞ্জয় কুমার নামে এক ছেলেকে রেখেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সহকারী শিক্ষক বলেন, প্রদীপ কুমার রায় স্কুল তো ফাঁকি দেয়ই, সেটা বলতে গেলে হুমকি আসে। তাই আমরা আর কিছু বলতে পারি না।

ওই স্কুলের কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেন, প্রদীপ স্যারকে আমরাতো স্কুলে দেখিনা। তার বদলে ধর্ম ক্লাস আমাদের সঞ্জয় স্যার নেন। তবে প্রদীপ স্যার কিছুদিন পরপর স্কুলে আসে। কিন্তু ঘন্টা খানেক থেকে চলে যায়।

এবিষয়ে অভিযুক্ত প্রদীপ কুমার রায় বলেন, ‘আর কিছুদিন পরে উপজেলা পরিষদের নির্বাচন। এতদিন চলে গেলো কোনো অভিযোগ নেই। এ সময় কেন এমন হলো বুঝতেছিনা। নির্বাচনের আগে আমার সাথে কেউ চক্রান্ত করছে।’

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মন্জুর হক বলেন, স্কুলের শিক্ষকের ছুটির বিষয়টা প্রধান শিক্ষক দেখে, আমরা তো দেখি না। আমরা শুধু মনিটরিং করি। তবে ওই প্রধান শিক্ষককে আমি ডাকছি তার সাথে বসে সব আলোচনা করে বিষয়টা দেখবো।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ