আওয়ার ইসলাম: ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা দিন দিন বাড়ছেই। কাশ্মীর সীমান্তের কাছে ২৭টি গ্রাম খালি করার নির্দেশ দিয়েছে দিল্লি।
ভারতীয় গণমাধ্যম বলছে, গত বুধ-বৃহস্পতিবার সীমান্তে শেল নিক্ষেপের ঘটনায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এদিকে বিচ্ছিন্নতাবাদিদের নির্মূল অভিযানে জম্মু-কাশ্মীরে অতিরিক্ত ১০ হাজার প্যারামিলিটারি সদস্য পাঠিয়েছে সরকার। শুক্রবার রাত থেকে এপর্যন্ত আটক অন্তত দেড়শ ব্যক্তি।
পুলওয়ামা হামলার এক সপ্তাহের মাথায় সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে ভারত। শুক্রবার রাত থেকেই জম্মু-কাশ্মীরে চলছে ধরপাকড়। আটক হয়েছেন জামায়াত-ই-ইসলামি ও হুরিয়াত কনফেরেন্সের প্রধান আব্দুল হামিদ ফায়াজ ও ইয়াসিন মালিকসহ বেশকজন বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা।
জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার রাজস্তানে দেয়া ভাষণে তিনি বলেন, ইমরান নিজের দেয়া কথা রাখতে পারেন কি-না তা দেখার সময় এসেছে।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, আমি ইমরানকে বলেছি, ভারত-পাকিস্তান অনেকবার যুদ্ধ করেছে। এতে পাকিস্তান কিছুই পায়নি। বারবার আমরাই জিতেছি।
আমি বলেছিলাম, দারিদ্র ও অশিক্ষার বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে দুদেশকে। তখন তিনি বলেছিলেন, আমি পাঠানের ছেলে। বলেছিলেন, তিনি সত্য বলেন ও সত্যের পথে চলেন।
দিল্লি-ইসলামাবাদ টানাপড়েনের শিকার ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের কাশ্মীরী অধিবাসীরা। মোদি নিজেও বলেছেন, সন্ত্রাসবাদের কারণেই ভুক্তভোগীদের বেশিরভাগই কাশ্মীরী।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, আমাদের লড়াই সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে। কাশ্মীরিদের বিরুদ্ধে নয়। কাশ্মীরিদের সহায়তায় দেশবাসীকে পাশে দাঁড়াতে হবে।
পুলওয়ামায় হামলার জেরে পাল্টা-পাল্টি হামলার হুমকি দিচ্ছেন ইমরান-মোদি। সীমান্ত শেলিংয়ের কারণে ২৭ গ্রামের বাসিন্দাদের সরে যেতে বলা হয়েছে। আশ্রয় নিতে বা হয়েছে স্কুল বা সরকারি ভবনে।
-এটি