বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬ ।। ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
১০ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত মাদরাসার বেতন সমস্যা দ্রুত সমাধানের আশ্বাস শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অল্প বয়সেই হাফেজ হয়ে প্রশংসা কুড়াচ্ছে রুবায়েত ও মৃদুল বিশ্বকাপে বিশেষ সম্মান পেল কালিমাখচিত সৌদির পতাকা বুধবার মৌলভীবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, বন্ধ থাকবে ৯২টি চা বাগান কবিতায় ‘কাঠপেন্সিল তরুণ লেখক পুরস্কার’ পাচ্ছেন জিয়া হক আমি না-থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্বই থাকত না : ট্রাম্প ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে আবার সোনালি যুগে ফিরিয়ে নিতে চাই’ ইরান আবারও পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে চাইলে, নরক নেমে আসবে: ট্রাম্প স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের চিঠি

নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল গাইনী ডাক্তার শূন্য

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

নেত্রকোণা সংবাদদাতা>

নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে গাইনী ডাক্তার নেই বললেই চলে। ফলে প্রসূতি নারীদের জীবন সংকটাপন্ন। সন্তান সম্ভবা নারীগণ উপজেলা সদরে উত্তম সেবা না পাওয়ায় জেলার একমাত্র আধুনিক সদর হাসপাতালের দ্বারস্থ হন। কিন্ত দীর্ঘদিন ধরে সদর হাসপাতালে গাইনী ডাক্তারের সংকট রয়েছে।

গরীব, অস্বচ্ছল, মধ্যবিত্ত শ্রেণির গর্ভবতী নারীরা সাধারণত হাসপাতালের শরনাপন্ন হয়ে থাকেন। বিগত কিছুদিন যাবত সদর হাসপাতালে গাইনী ডাক্তার না থাকায় প্রসূতিদেরকে উচ্চমূল্যের সেবা নিতে হচ্ছে প্রাইভেট হাসপাতাল ক্লিনিকে। ক্লিনিকগুলো অহেতুক পরীক্ষা নিরীক্ষার নামে হাতিয়ে বিভিন্ন অংকের অর্থ।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালের গাইনী ডাক্তার রঞ্জন কুমার ও ডাক্তার জীবন কৃষ্ণ বদলী হয়ে অন্যত্র চলে গিয়েছেন। হাসপাতালের নারী চিকিৎসক ডাঃ আফরিন সুলতানা পদোন্নতি পেয়ে অন্যত্র বদলী হয়েছেন। গাইনী ডাক্তার নূপুর আছেন ছুটিতে। একমাত্র ডাক্তার কল্যাণী উপস্থিত হচ্ছেন হাসপাতালে। তাও আবার বাইরে ক্লিনিকে গিয়ে সময় দিতে হয়।

হাসপাতালের প্রায় সকল ডাক্তারই বাইরের ক্লিনিকসমূহে রোগী দেখেন। হাসপাতালের প্রশাসনিক অবস্থা খুবই দূর্বল বিধায় এ সুযোগে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারগণ কোনো রকমে স্বাক্ষর করেই চলে যান বাইরের ক্লিনিক সমূহে। রোগী ভর্তি হলেও চিকিৎসা নিতে পারছেন না।

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি নেত্রকোনা সদর উপজেলার কুতুবপুর গ্রামের গর্ভবতী লিমা আক্তার সদর হাসপাতালে ভর্তি হন ডেলিভারী রোগী হিসেবে। হাসপাতালের ভিতরে কোনো রকম চেকআপের ব্যবস্থা নেই বিধায় বাইরে ইবনেসিনা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে বাধ্য হন।

সদর হাসপাতালে ডাক্তারদের অনুপস্থিতির কারণে আশ্রয় নেন মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র মোক্তারপাড়ায়। সেখানেও ডাক্তারদের তালবাহানা। ২৪ ফেব্রুয়ারি করা আল্ট্রাসনোগ্রামের রিপোর্ট বাদ দিয়ে তারা ২৫ ফেব্রুয়ারি পুনরায় আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে পাঠান তাদের অনুগত একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ