সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সৌদি আরব ও কাতারের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বিশ্বজয়ী হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরাকে সংবর্ধনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয় লক্ষ্মীপুরে ড্রাম ট্রাকচাপায় বৃদ্ধ ভ্যানচালকের মৃত্যু

পাক-ভারত যুদ্ধ কি সত্যিই আসন্ন?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

রকিব মুহাম্মদ
আওয়ার ইসলাম

কাশ্মীরের পুলওয়ামায় আত্মঘাতি হামলার পর জইশ-ই মুহাম্মদ সেই হামলার দায় স্বীকার করেছিল। ভারতীয় সরকার ও সেনাবাহিনী বলছে, হামলাকারীরা এসেছে পাকিস্তান থেকে আর এখন সময় এসেছে তাদের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়ার। ওই সংগঠনকে গুঁড়িয়ে দিতে জঙ্গি আস্তানায় ভারতের পাল্টা হামলা করে। পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তানের ফের হামলা করে। এ সবকিছুর পরিণতিতে আবারো অশান্ত হয়ে উঠেছে উপমহাদেশের রাজনীতি।

বর্তমানে এই চিরবৈরী দুই দেশ পরস্পরের মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে । এমন পরিস্থিতে বিশ্লেষকদের মনে প্রশ্ন, তবে কি ভারত পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ আসন্ন। তবে তাদের মধ্যকার ভয়াবহ যুদ্ধ-ই কি বাস্তবতা! নাকি বাকযুদ্ধ থেকে ঘুরে যাবে এই বৈরি হাওয়ার মোড়?

অতীতে কি হয়েছিলো? আর যা অতীতে যা হয়েছে তা থেকে আসন্ন ভবিষ্যতের ব্যাপারে কি কোনো ফলাফল বের করা যাবে? নিশ্চিত করে তো তাৎক্ষণিক কিছু বলা যাচ্ছে না। অনুমান কিন্তু করা যাচ্ছে বেশ তলিয়ে।

কারগিল যুদ্ধ ছাড়া বিগত দু দশকে এমন পরিস্থিতিরও সৃষ্টি হয়েছে যাতে পাক-ভারত উভয়ই যুদ্ধের প্রায় দ্বারপ্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছে।

২০০১ সালের ডিসেম্বর মাসে ভারতের পার্লামেন্ট এবং ২০১৮ সালে বাণিজ্যকেন্দ্র মুম্বাইতে। উভয় হামলাতেই ভারতে প্রতিশোধের দাবি উঠেছিলো বাঁধ ভাঙা জোয়ারে। পার্লামেন্ট হামলার সময় দেশে বিজেপি সরকার ছিলো ক্ষমতায় আর মুম্বাই হামলার সময় ছিলো কংগ্রেস।

পার্লামেন্ট হামলার পর জোড়ালো অপারেশনের জন্য প্রস্তুত ছিলো ভারত।  পরন্তু দু বছর পর উভয় দেশ মিলে যুদ্ধের পরিবর্তে বন্ধুত্বের পরিবেশে একে অন্যের সাথে ক্রিকেট খেলছিলো এবং লাইন অফ কন্ট্রোল হওয়া সত্ত্বেও পূর্বের চুক্তি অনুসারে গোলাগুলি ও তোপকামান দাগানো বন্ধ রেখেছিলো।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক প্রবীন স্বামীর বক্তব্য মোতাবেক সে সময় পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে লশকরে তাইয়্যেবার অবস্থানকে কেন্দ্র করে যুদ্ধবিমান ও মিযাইল হামলার পরিকল্পনা করেছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী মোনমোহন সিং। কিন্তু যখন সেনা ও ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস বললো, তারা জয়ের গ্যারান্টি দিতে পারবে না- তখন তিনি তার এই সিদ্ধান্ত থেকে ফিরে আসেন।