আওয়ার ইসলাম: মিয়ানমারে নিপীড়নের শিকার রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে গ্রহণের ইচ্ছার কথা পুনরায় জানিয়ে ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতার্তে তাদের (রোহিঙ্গা) নাগরিকত্ব দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। দেশটির বেসরকারি সংবাদমাধ্যম জিএমএ অনলাইন ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
জিএমএ অনলাইনের এক প্রতিবেদনে প্রকাশ, ম্যানিলা হোটেলে লিগ অব মিউনিসিপালিটিস কনভেনশনে প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুয়ের্তে বলেন, ‘আমি রোহিঙ্গাদের গ্রহণ করতে আগ্রহী।’
এর আগে গত বছর এপ্রিলে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর চালানো নির্যাতনকে ‘গণহত্যা’ উল্লেখ করে দুয়ার্তে বলেছিলেন, বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে প্রস্তুত ফিলিপাইন।
এর প্রতিক্রিয়ায় মিয়ানমার সরকার জানিয়েছিল, দুয়ার্তের মিয়ানমার সম্পর্কে কোনও ধারণা নেই। এরপর অবশ্য মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় পরামর্শক অং সান সু চির কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন ফিলিপাইন প্রেসিডেন্ট।
এর কিছু দিন যেতে না যেতে প্রেসিডেন্টের সাবেক মুখপাত্র হ্যারি রোক বলেছিলেন, রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার মতো অবকাঠামো ফিলিপাইনের রয়েছে। তাদের জন্য ‘দরজা খোলা’ রাখার নীতিই অবলম্বন করবেন সরকার।
১৯৭৫ সালে ভিয়েতনাম যুদ্ধের পর হাজার হাজার ভিয়েতনাম উদ্বাস্তুদের আশ্রয় দিয়েছিল ফিলিপাইন।
রাখাইনে সেনাবাহিনীর দমনপীড়নের মুখে ২০১৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট পর্যন্ত ৮৭ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। আর ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত সাড়ে ছয় লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে এসেছে। এছাড়া, আরও প্রায় তিন লাখ রোহিঙ্গা ২০১৬ সালের অক্টোবরের আগে থেকে বাংলাদেশে অবস্থান করছিল।
কেপি