শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

রমজানে ফজরের আজান কখন দেয়া উচিত?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি মোস্তফা ওয়াদুদ কাসেমী

অনেক সময় আমাদের এখানে সুবহে সাদিকের পর সাথে সাথে আজান হয়ে যায়। যেখানে কোনো কোনো জায়গায় ৫ মিনিট কিংবা ১০ মিনিট পর আজান দেয়া হয়। তাহলে সুবহে সাদিকের পর সাথে সাথে আজান দেয়া কী? এর সঠিক সময় কোনটি? সেহরীর সময় শেষ হওয়ার কতক্ষণ পর আজান দিতে হবে?

উত্তর: সুবহে সাদিক উদিত হওয়ার পর আজান দেয়া কিংবা নামাজ পড়া উভয়টি শুদ্ধ। সুবহে সাদিকের পূর্বে না আজান দেয়া শুদ্ধ আর না নামাজ পড়া শুদ্ধ। ফজর উদিত হওয়া নিশ্চিতের পর কোনো রকম দেরী করা ছাড়াই আজান দেয়া জায়েয।

কেননা রাসূল সা. এর হাদিস: کلو ا واشربوا حتی یؤذن ابن أم مکتوم فإنہ لایؤذن حتی یطلع الفجر
অর্থ: তোমরা পানাহার করো। যতক্ষণ না উম্মে মাকতুম (অন্ধ সাহাবী) আজান দেয়। কেননা সে ততক্ষণ আজান দিবে না যতক্ষণ না ফজর উদিত হয়।

এ হাদিস দ্বারা জানা যায়, তারা ফজর উদিত হওয়া পর্যন্ত সেহরী খেতেন। আর ফজর উদিত হলেই ফজরের আজান দেয়া হতো। অর্থাৎ ফজরের আজান ও নামাজের সময় হয়ে যেতো।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ