মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৯৫ শতাংশ মুসলিমের দেশ আজারবাইজানে হিজাব নিষিদ্ধের পাঁয়তারা! ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তা, ব্যবস্থা নেবে সরকার মাওলানা নাসরুল্লাহ বদরের লাশ দ্রুত দেশে আনার দাবি জমিয়তের সাইবার আইনে সাংবাদিকদের ভয়ের কোনো কারণ নেই: আইনমন্ত্রী ‘অর্থনৈতিক সংস্কার ও সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকছে আইএমএফ’  নামাজে রাকাতসংখ্যা ভুলে গেলে করণীয় ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা হতে হবে বিজ্ঞানভিত্তিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক’ ‘সৌ‌দির পরিস্থিতি ঠিক হলে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া‌ প্রবাসীদের নিয়ে আলোচনা’ পাকিস্তানে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ৬

আমের অস্তিত্ব ছাড়াই আমের জুস, ২৫ টাকার প্যাক ৮০ টাকা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ‘আমের জুসে’ আমের দেখা নেই, আছে ১৫ ধরনের ক্যামিকেল ও রং। তারপরেও প্রতি লিটার ‘জুস’ তৈরিতে মাত্র ২৫ টাকা খরচ হলেও বিক্রি করা হচ্ছে ৮০ টাকা।

পবিত্র রমজান মাসকে টার্গেট করে এমন একটি আমের নকল জুস তৈরির কারখানার সন্ধান মিলেছে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল উত্তরপাড়ায়।

গতকাল রোববার সন্ধ্যায় ‘সাদিয়া ফুড এন্ড বেভারেজ কেমিক্যাল ইন্ড্রাষ্ট্রিজ’ নামের ওই কারখানায় যৌথ অভিযান চালায় র‌্যাব-১১ ও নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন। ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটিকে সিলগালা করে দেয়া হয়েছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির চারজনকে দেয়া হয় সাত দিনের কারাদণ্ড।

সাদিয়া ফুডের ম্যানেজার নাজমুল আলম (৩৫), কেমিস্ট রাজন হোসেন শিকদার (২২), মো. বিল্লাল হোসেন (২৭) ও এনায়েত হোসেন (৩৪)।

র‌্যাব জানিয়েছে, অধিক লাভের নেশায় তৈরি করা প্রায় ২০ লাখ টাকার ভেজাল জুস ধ্বংস করা হয়। এ সব জুস প্রতি লিটার ডিলারের কাছে ৪০ টাকায় এবং ডিলাররা খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে ৬০ টাকায় বিক্রি করাতো। আর সাধারণ ক্রেতা পর্যায়ে এসে এর দাম হয়ে যেতো ৮০ টাকা।

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে এ সব নকল জুস তৈরিতে কোনো প্রকার ফল বা ফলের নির্যাস ছাড়াই ১৫ ধরনের ক্যামিকেল ও রং ব্যবহার করা হতো। ছিল না কোনো পরীক্ষাগারও।

অভিযান শেষে র‌্যাব-১১’র সিপিএসসি’র কোম্পানী কমান্ডার মেজর তালুকদার নাজমুছ সাকিব বলেন, ‘এ সব নকল জুস তৈরিতে সোডিয়াম বেনজয়েডের মতো ক্ষতিকারক ক্যামিকেল ব্যবহার করা হতো।

যা এক সময় মানবদেহের যকৃতকে বিকল করে দেয়। পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠানটি এ সব নকল জুস বাজারজাত করে আসছিল।’

তিনি জানান, সাদিয়া ফুড এন্ড বেভারেজের মালিক মোঃ আলমগীর হোসেনকে আটকের জন্য চেষ্টা চলছে। তার বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ