শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪ মাসব্যাপী আরবি ভাষা দক্ষতা উন্নয়ন কোর্স হাসনাতের বক্তব্যে মধ্যরাতে উত্তাল ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মাদরাসা শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ সিলেট মহানগর খেলাফত মজলিসের তরবিয়তি মজলিস অনুষ্ঠিত জাতীয় সিরাত সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার নিবন্ধনের সময় বাড়ল ১০ সেপ্টেম্বর শুরু হচ্ছে ইসলামি বইমেলা অসুস্থ প্রবীণ আলেম মাওলানা সুলাইমান নোমানীর শয্যাপাশে আমিরে মজলিস নতুন ধারাবাহিক অনুষ্ঠান নিয়ে আসছেন শায়খ আহমাদুল্লাহ দুই পবিত্র মসজিদ নিয়ে উদ্ভাবনী ধারণা আহ্বান, বিজয়ীদের মিলবে নগদ পুরস্কার বাসযোগ্য শহর গড়তে ঢাকাকে হৃদয়ে ধারণ করতে হবে: ডিএসসিসি প্রশাসক চট্টগ্রামের তিন বড় মাদরাসায় সফরে যাচ্ছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

আমের অস্তিত্ব ছাড়াই আমের জুস, ২৫ টাকার প্যাক ৮০ টাকা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ‘আমের জুসে’ আমের দেখা নেই, আছে ১৫ ধরনের ক্যামিকেল ও রং। তারপরেও প্রতি লিটার ‘জুস’ তৈরিতে মাত্র ২৫ টাকা খরচ হলেও বিক্রি করা হচ্ছে ৮০ টাকা।

পবিত্র রমজান মাসকে টার্গেট করে এমন একটি আমের নকল জুস তৈরির কারখানার সন্ধান মিলেছে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল উত্তরপাড়ায়।

গতকাল রোববার সন্ধ্যায় ‘সাদিয়া ফুড এন্ড বেভারেজ কেমিক্যাল ইন্ড্রাষ্ট্রিজ’ নামের ওই কারখানায় যৌথ অভিযান চালায় র‌্যাব-১১ ও নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন। ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটিকে সিলগালা করে দেয়া হয়েছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির চারজনকে দেয়া হয় সাত দিনের কারাদণ্ড।

সাদিয়া ফুডের ম্যানেজার নাজমুল আলম (৩৫), কেমিস্ট রাজন হোসেন শিকদার (২২), মো. বিল্লাল হোসেন (২৭) ও এনায়েত হোসেন (৩৪)।

র‌্যাব জানিয়েছে, অধিক লাভের নেশায় তৈরি করা প্রায় ২০ লাখ টাকার ভেজাল জুস ধ্বংস করা হয়। এ সব জুস প্রতি লিটার ডিলারের কাছে ৪০ টাকায় এবং ডিলাররা খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে ৬০ টাকায় বিক্রি করাতো। আর সাধারণ ক্রেতা পর্যায়ে এসে এর দাম হয়ে যেতো ৮০ টাকা।

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে এ সব নকল জুস তৈরিতে কোনো প্রকার ফল বা ফলের নির্যাস ছাড়াই ১৫ ধরনের ক্যামিকেল ও রং ব্যবহার করা হতো। ছিল না কোনো পরীক্ষাগারও।

অভিযান শেষে র‌্যাব-১১’র সিপিএসসি’র কোম্পানী কমান্ডার মেজর তালুকদার নাজমুছ সাকিব বলেন, ‘এ সব নকল জুস তৈরিতে সোডিয়াম বেনজয়েডের মতো ক্ষতিকারক ক্যামিকেল ব্যবহার করা হতো।

যা এক সময় মানবদেহের যকৃতকে বিকল করে দেয়। পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠানটি এ সব নকল জুস বাজারজাত করে আসছিল।’

তিনি জানান, সাদিয়া ফুড এন্ড বেভারেজের মালিক মোঃ আলমগীর হোসেনকে আটকের জন্য চেষ্টা চলছে। তার বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ