রকিব মুহাম্মদ
যুগ্ম বার্তা সম্পাদক
বাংলাদেশের কওমি মাদরাসা শিক্ষার্থীদের দেশের বাইরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভর্তি হয়ে উচ্চশিক্ষা অর্জনের স্বপ্ন অনেকদিনের। দাওরায়ে হাদীস (তাকমিল) জামাতকে সরকারিভাবে মাস্টার্সের সমামনা দেয়ার পর সেই চাহিদা বেড়ে গেছে আরও কয়েকগুণ।
বিশেষ করে কওমি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন জুড়ে আছে দারুল উলুম দেওবন্দে পড়ার তীব্র ইচ্ছা। কিন্তু ছাত্র হিসেবে বৈধভাবে দেওবন্দ বা অন্য কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার কোনো ব্যবস্থা না থাকায় নানা রকম সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের।
তারা যেন দারুল উলুম দেওবন্দসহ দেশের বাইরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো ভর্তি হতে পারে, এজন্য চলতি বছরের ১৭ মার্চ কওমি মাদরাসার সর্বোচ্চ অথরিটি ‘আল হাইআতুল উলয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’ ৬ সদস্য বিশিষ্ট বিশেষ একটি সাব-কমিটি গঠন করে।
এই কমিটির অধীনে কওমি শিক্ষার্থীদের ‘স্টুডেন্ট ভিসা’ সহজিকরণের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সেসময় জানানো হয়। এদিকে কওমি মাদরাসার শিক্ষাবর্ষ সমাপ্ত হয়ে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হতে চলেছে। ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দের ভর্তিও রমজানের পরবর্তী সময়ে হয়ে থাকে। কিন্তু, সেই কমিটির অধীনে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।
কওমি মাদরাসার পরীক্ষা ও রমজান চলে আসায় কমিটি কোন পদক্ষেপ নিতে পারেনি বলে জানান সাব কমিটির অন্যতম সদস্য ও দেশের সর্ববৃহৎ কওমি শিক্ষা বোর্ড বেফাকের সহকারী মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক। তিনি বলেন, “এখন পর্যন্ত আমরা কোন মিটিং করতে পারিনি। প্রাথমিকভাবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে কিছুটা কাজ এগিয়ে রাখা হয়েছে।” তবে সেই এগিয়ে রাখাটা, এখনও দৃশ্যমান হয়নি।
কওমি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা নিয়ে কাজ করছেন তেজগাঁও রেলওয়ে জামিয়া ইসলামিয়ার শাইখুল হাদিস ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক আল্লামা ড. মাওলানা মুশতাক আহমদ। তিনিও এ বিষয়ে হতাশায় ভুগছেন বলে আওয়ার ইসলামকে জানিয়েছেন।
ড. মাওলানা মুশতাক আহমদ বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। বিশেষ করে তেজগাঁও রেলওয়ে জামিয়া ইসলামিয়ার মুহতামিম মাওলানা মজিবুর রহমান, মাওলানা ওমর ফারুক আমাকে এ ব্যাপারে অনেক সহায়তা করেছেন ”
তিনি বলেন, “আমরা বিগত ১৬ মার্চ ৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সচিব মো: আলমগীরà