সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু আজ, প্রচারণার নির্দেশ আজও রিয়াদগামী ২ ফ্লাইট বাতিল, ৩ দিনে মোট ৯টি সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে ফের হামলা: নিহত ১, আহত ১১ স্ত্রীর মৃত্যুর সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর নামাজরত অবস্থায় প্রাণ হারালেন স্বামী সৌদি বিমানবন্দরে হামলায় আহত ২৪ বাংলাদেশির ১৩ জনই ওমরাহযাত্রী

যে সময়ে খেজুর খেতে নিষেধ করেছেন রাসুল সা.

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

রকিব মুহাম্মদ : পবিত্র রমজান মাস চলছে। সারাবিশ্বের মুসলিমরা মহান আল্লাহ তায়ালার হুকুমে রোজা পালন করছেন। একজন রোজাদারের সবচেয়ে আনন্দের মুহূর্ত ইফতারের সময়। ইফতারির মাধ্যমে একজন রোজাদার তার রোজা শেষ করেন।  ইফতারির আইটেমের মধ্যে অন্যতম খেজুর। ইফতারির টেবিলে খেজুর থাকবে না সেটা চিন্তাই করা যায় না।

রাসুল হযরত মুহাম্মদ সা. খেজুর দিয়ে ইফতার শুরু করতেন নতুবা কয়েক ঢোক পানি পান করতেন। এখনো ইফতার শুরু হয় পানি বা খেজুর দিয়ে। কিন্তু রাসুল সা. হাদিস শরিফে এমন কিছু মুহুর্তের কথা উল্লেখ করেছেন, যে সময়গুলোতে খেজুর খাওয়া অনুচিত।

এ ব্যাপারে হজরত উম্মে মুনযির বিনতে কায়েস আনসারিয়্যা রাযি. থেকে একটি হাদিস বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেন, একদিন রাসুল সা. আমাদের বাড়িতে তাশরীফ আনলেন। তার সঙ্গে হজরত আলীও রাযি. ছিলেন। হজরত আলী রাযি. সবেমাত্র অসুখ থেকে উঠেছিলেন। আমাদের বাড়ীতে খেজুরের বাধা টানানাে ছিল। হুজুর সা. উঠে খেজুর খেতে আরম্ভ করেন।

অতঃপর হজরত আলীও রাযি. উঠে আসেন এবং খেজুর খেতে শুরু করেন। তখন হুজুর সা. তাকে বললেন, আলী! তুমি এখনাে দুর্বল। তাই তুমি খেজুর খেয়াে না। একথা শুনে হযরত আলী রাযি. খেজুর খাওয়া বন্ধ করে দেন। -মিশকাত, ইবনে মাজাহ ও তিরমিজি শরিফ

এ প্রসঙ্গে হযরত সুহাইব রাযি. কর্তৃক বর্ণিত আরেকটি হাদিস রয়েছে। তিনি বলেন, “আমি নবিজীর খেদমতে সা.  হাজির হই। তার সম্মুখে তখন রুটি ও খেজুর রাখা ছিল । হুজুর সা. বললেন, কাছে এসাে, খেতে বস। আমি বসে খেজুর খেতে শুরু করি। অতঃপর হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, তােমার চোখে অসুখ আর তুমি এই অবস্থায় খেজুর খাবে? -যাদুল মাআদ

আমরা জানি, খেজুর অত্যন্ত শক্তিশালী ও রক্ত বর্ধক। বিভিন্ন অসুখ বিসুখে ও বিশেষ ঔষধে খেজুর ব্যবহার করা হয়। এতদসত্ত্বেও এর তাছীর ও প্রতিক্রিয়া গরম। তাই অসময়ে এবং অধিক পরিমাণে খেজুর খাওয়া ক্ষতিকর। বিশেষত যখন চোখে ব্যথা ও জ্বালা পােড়া থাকে তখন খেজুর খাওয়া থেকে বেঁচে থাকা খুবই জরুরি।

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ