সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু আজ, প্রচারণার নির্দেশ আজও রিয়াদগামী ২ ফ্লাইট বাতিল, ৩ দিনে মোট ৯টি সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে ফের হামলা: নিহত ১, আহত ১১ স্ত্রীর মৃত্যুর সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর নামাজরত অবস্থায় প্রাণ হারালেন স্বামী সৌদি বিমানবন্দরে হামলায় আহত ২৪ বাংলাদেশির ১৩ জনই ওমরাহযাত্রী

যেখানে ৪ হাজার বছর ধরে জ্বলছে আগুন, ঝড় তুফানেও নেভে না!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: এশিয়া মহাদেশের একটি প্রজাতন্ত্রী রাষ্ট্র আজারবাইজান। কাস্পিয়ান সাগর এলাকার অন্যতম প্রধান জ্বালানি উৎপাদনকারী দেশ এটি। আজারবাইজনের একটি স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য হলো দেশটিতে চার হাজার বছর ধরে নিরবচ্ছিন্নভাবে চলছে আগুন।

মুষুলধারে বৃষ্টি, তুষারঝড় কিংবা বাতাস কোন কিছুতেই নেবে না সেই আগুন। আজারবাইজনের অ্যাবশেরন উপদ্বীপের একটি জায়গায় দশ মিটার জায়গাজুড়ে অবিরামভাবে চলছে এই আগুন।

অ্যাবশেরন উপদ্বীপে পর্যটক গাইডের কাজ করা এক নারী আলিয়েভা রাহিলা জানান, চার হাজার বছর ধরে জ্বলছে এখানকার আগুন। কোন কিছুতেই নেভে না আগুন। সারাদিন ধরে আগুন জ্বলার কারণে আশেপাশের এলাকা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশ উত্তপ্ত থাকে। এই জায়াগা ছাড়াও দেশটির অনেক জায়গায় এভাবে আগুন জ্বলছে।

মূলত প্রাকৃতিক গ্যাস এবং তেল সমৃদ্ধ দেশটির অনেক স্থানেই এই ধরনের আগুনের দেখা মেলে। এই জ্বলন্ত আগুনের অভিজ্ঞতা লাভের জন্য হাজার বছর ধরে দু:সাহসিক পর্যটকরা ভ্রমণের জন্য বেছে নিচ্ছে আজারবাইজানকে।

ভেনীস দেশীয় এক পর্যটক সতের শতকে বেড়াতে গিয়ে লিখেছিলেন আজারবাইজানের জ্বলন্ত আগুন নিয়ে। তিনি ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে অন্যান্য অনেক পর্যটকের লেখায়ও আজারবাইজানের এই আগুনের কথা উঠে এসেছে। এসব কারণেই দেশটি ‘আগুনের ভূমি’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।

একটা সময়ে দেশটিতে এই ধরনের জ্বলন্ত আগুনের ঘটনা অনেক বেড়ে গিয়েছিল। কিন্তু বাণিজ্যিকভাবে ভূগর্ভস্থ গ্যাস উত্তোলনের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় ধীরে ধীরে আগুনের ঘটনা কমে এসেছে। এখনো টিকে থাকা এই ধরনের আগুনগুলোর একটি ‘ইয়ানার ড্যাগ’। চিত্তাকর্ষক এই অগ্নিকুন্ডটি তাই অনেক পর্যটকের কাছেই বিশেষভাবে আকৃষ্ট করে।

জ্বলন্ত আগুনের এই স্থানে ১৯৭৫ সালে এখানে গড়ে তোলা হয়েছে একটি ভবন। ১৯৯৮ সালে যেটি বিশ্ব ঐতিহ্যময় স্থানের স্বীকৃতি লাভ করেছে। প্রতি বছর এখানে গড়ে ১৫ হাজার পর্যটক ভ্রমণে আসে। এই আগুন দেখতে হলে আপনাকে আজারবাইজানের রাজধানী বাকু থেকে ৩০ মিনিটের পথ পাড়ি দিয়ে যেতে হবে দেশটির উত্তর প্রান্তে।

সূএ: সিএনএন

আরএম/