সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিন শেষ হয়ে এলে  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান

একজন সজ্জন মানুষের আকস্মিক চলে যাওয়া

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

জহির উদ্দিন বাবর

প্রতিটি চলে যাওয়াই কষ্টের। তবে কিছু কিছু চলে যাওয়া মেনে নিতে একটু বেশিই কষ্ট হয়। একজন যেকোনো বয়সে মারা যাক সেটাকে ইসলাম ‘অকাল’ মৃত্যু বলে না। তবুও কিছু কিছু মৃত্যুকে মেনে নেয়া অসম্ভব কঠিন ব্যাপার। ড. আব্দুল মুনিম খানের চলে যাওয়াটাও তেমনি। তাকে যারা চিনেন, জানেন কেউই এ চলে যাওয়াকে সহজে মেনে নিতে পারছেন না। যদিও আল্লাহর ফায়সালার ওপর কারও কোনো হাত নেই।

শনিবার সকাল ১০টার দিকে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বিশিষ্ট এ স্কলার ও শিক্ষাবিদ চলে গেছেন না ফেরার দেশে। তার আকস্মিক এ চলে যাওয়ার খবর স্বজনদের যেমন কাঁদিয়েছে, তেমনি শোকাহত করেছে চেনা-পরিচিত আর ভক্ত-অনুরাগীদের। একজন শিক্ষাবিদ, লেখক, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব হিসেবে তার অনুসারী-অনুরাগীর সংখ্যা অগণিত। তাদের সবার কাছেই এই মৃত্যুটি বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো মনে হয়েছে। এই মৃত্যুর খবরে সবাইকে আফসোস করতে দেখা গেছে।

ড. আব্দুল মুনিমের সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত চেনা-জানা খুব একটা ছিল না। ঘনিষ্ঠভাবে ওঠাবসার সুযোগও তেমন হয়নি। কয়েকবার দেখা-সাক্ষাৎ হয়েছে আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে। তবে তাকে আমি যেমন অনেক দিন ধরে চিনি, তিনিও হয়ত আমাকে চিনতেন। এজন্য যে কয়বার দেখা হয়েছে তার আন্তরিকতা দেখে বিমুগ্ধ না হয়ে পারিনি। অত্যন্ত সজ্জন ও অমায়িক মানুষ ছিলেন। কথা বলতেন হাসিমাখা মুখে। চেহারায় একটা আভিজাত্য আর ব্যক্তিত্বের ছাপ ছিল।

সবশেষ গত এপ্রিলে জাতীয় প্রেসক্লাবে একটি অনুষ্ঠানে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ। একটি অনলাইন নিউজপোর্টাল তাদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কয়েকজন লেখক-উদ্যোক্তাকে সম্মাননা দিয়েছিল। এর মধ্যে ড. আবদুল মুনিম খান ছিলেন, সঙ্গে ছিলাম আমিও। সেদিন তিনি মঞ্চে ছিলেন। আমি ছিলাম সামনের সারিতে মুখোমুখি বসা। সৌজন্য কথাবার্তা ছাড়া সেদিন আর তেমন কোনো আলাপ হয়নি। কে জানত, সেটাই তার সঙ্গে শেষ সাক্ষাৎ!

সেদিন তিনি বাংলাদেশের ওপর একটি লম্বা ইতিবাচক বক্তব্য দিয়েছিলেন। আমরা দেশ নিয়ে হতাশা প্রকাশ করলেও তিনি অনেক আশাবাদী ছিলেন। কেন আশাবাদী সেটাও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ঘোরার পরিপ্রেক্ষিতে তুলে ধরেছিলেন। বেশ ভালো লেগেছিল সেই বক্তব্যটি।

গত কয়েক বছর আগে আমাদের ইসলামী লেখক ফোরামের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে তিনি এসেছিলেন। সেখানেও তিনি লেখকদের উদ্বুদ্ধ করার মতো চমৎকার কথা বলেছিলেন। ফোরামের যেকোনো প্রয়োজনে তাঁকে স্মরণ করতে বলেছিলেন। তার সেদিনের উদারতায় সত্যিই আমরা বিমুগ্ধ হয়েছিলাম। এত শিক্ষিত ও জ্ঞানী একজন মানুষ, তবুও তার মধ্যে ছিল না কোনো অহংকার।

বিশেষ করে তিনি আলেম-উলামার সঙ্গে খুব ভালোভাবে মিশতেà