সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সৌদি আরব ও কাতারের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বিশ্বজয়ী হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরাকে সংবর্ধনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয় লক্ষ্মীপুরে ড্রাম ট্রাকচাপায় বৃদ্ধ ভ্যানচালকের মৃত্যু দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী

সেই ভাইরাল বক্তব্য থেকে তওবা করলেন হাফিজুর রহমান সিদ্দিকী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

রকিব মুহাম্মদ : বর্তমানে দেশের আলোচিত ওয়ায়েজদের মধ্যে মাওলানা হাফিজুর রহমান সিদ্দিকী সেরা। বলার ভঙ্গি এবং সুর তার ওয়াজে ভিন্ন মাত্রা আনে। যে কারণে প্রায় পুরো বাংলাদেশে তিনি বেশ খ্যাতি পেয়েছেন। তবে সমালোচনাও পিছু ছাড়েনি তার। চুক্তিভিত্তিক ওয়াজ করা, টাকা নিয়ে মাহফিলে না যাওয়া, ওয়াজ মাহফিলের জন্য হেলিকপ্টার ব্যবহার করাসহ দেশের খ্যাতিমান এ ওয়ায়েজকে ঘিরে বিভিন্ন সময়ে নানান বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মাওলানা সিদ্দিকীর একটি বয়ানের ভিডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়। ওই ভিডিওতে তিনি  পবিত্র কুরআনের সূরা আত-তাহরিমের ৮ নাম্বার আয়াতে 'তাওবাতান নাসুহা' এর  ‘ভুলব্যাখ্যা’ করেছেন বলে অভিযোগ করে সমালোচকরা। এ নিয়ে ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে সমালোচিত হন এ বক্তা।

তবে ‘তাওবাতান নাসুহা’ শিরোনামে ভাইরাল সেই বক্তব্যের জন্য তওবা করলেন মাওলানা হাফিজুর রহমান সিদ্দিকী। গত ১৩ জুলাই চট্রগ্রামের বাঁশখালী দারুল কারীম মাদরাসার হিফজ সমাপনী ছাত্রদের পাগড়ী প্রদান উপলক্ষে আয়োজিত ওয়াজ মাহফিলে প্রধান বক্তার আলোচনায় ক্ষমা চেয়েছেন তিনি। বক্তব্যে আল্লাহ যেন তাকে কুরআন-হাদিস অনুযায়ী আলোচনা করার তৌফিক দান করেন— সে মর্মেও দোয়া করেন তিনি।

ওই মাহফিলে মাওলানা হাফিজুর রহমান বলেন, “আমি এক বক্তব্যে পবিত্র কুরআনের সুরা তাহরিমের এক আয়াতের ব্যাখ্যায় তাওবাতান নাসূহা সম্পর্কে যা বলেছিলাম, আসলে ব্যাপারটা এমন না। নাসূহা সম্পর্কে মাওলানা জালাল উদ্দিন রূমী রহ. মাআরেফে মসনবীতে একটি ঘটনা বর্ণনা করেছেন কিন্তু সেই ঘটনার সাথে আয়াতের কোনো সম্পর্ক নেই। সেটা ভিন্ন ঘটনা।

নিজের দেওয়া বক্তব্যের সাথে কুরআন হাদিসের কোন সম্পর্ক নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, কুরআন ও হাদিসে নাসূহা সম্পর্কে কোনো ঘটনা উল্ল্যেখ নেই বরং কুরআনে বর্ণিত সুরা তাহরিমের ৮ নং আয়াতের তাওবাতান নাসূহা অর্থ হলো খাটি তওবা করা” আমার বক্তব্যের ব্যাপারে আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করুক, সাথে সাথে সকলকে ক্ষমা করুক।”

প্রসঙ্গত, সূরা আত-তাহরিমের ৮ নাম্বার আয়াত—‘তূবূ ইলাল্লাহি তাওবাতান নাসূহা’ নিয়ে লোকমুখে এক রাজকন্যা ও নাসুহার ঘটনা প্রচলিত রয়েছে। তাফসিরের পরিভাষায় যা “ইসরারাইলি রেওয়ায়েত” নামে পরিচিত। অধিকাংশ, মুফাসসিরিনে কেরাম এ ঘটনাকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করে থাকেন।

মাওলানা হাফিজুর রহমানের বক্তব্যে ‘তাà¦