সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত

কাশ্মির পরিস্থিতি: আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম যেভাবে দেখছে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ তামিম ♦

ভারতের সংসদে কাশ্মীরের বিশেষ আইন ৩৭০ ধারা তুলে দেওয়ার প্রস্তাব পাস করার কথা নিশ্চিত করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আজ সোমবার (৫ আগস্ট) ভারতের সংসদ শুরু হতেই রাজ্যসভায় এ বিল পাস করা হয়।

কাশ্মিরে ভারত সরকারের এ নতুন পদক্ষেপকে অঞ্চলটিতে সঙ্ঘাত উস্কে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্বের গণমাধ্যমগুলো। বিজেপি সরকার কাশ্মিরের বিশেষ মর্যাদা বা স্বায়ত্বশাসন তুলে নেয়ার পর বিষয়টি বেশ গুরুত্বের সাথে প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক সব গণমাধ্যম। এ ঘটনা উপমহাদেশের রাজনীতিতে নতুন সঙ্কট তৈরি করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিবিসি ওয়ার্ল্ডের খবরে ভারত সরকারের পদক্ষেপকে ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা’ হিসেবে দেখা হয়েছে। এর ফলে কাশ্মিরে বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। আঞ্চলিক উত্তেজনা চরমে উঠেছে বলেও জানিয়েছে বিবিসি।

ব্রিটেনের দ্য গার্ডিয়ান লিখেছে, কাশ্মিরের মর্যাদার বিষয়ে ভারতের যে কোন সরকারের সবচেয়ে বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্ত। রিপোর্টে কাশ্মিরকে ভেঙে দুই ভাগ করার ঘটনাকে ‘নাটকীয় পদক্ষেপ’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। আরো বলা হয়েছে, এতে পাকিস্তানের সাথে উত্তেজনা বাড়বে এবং জম্মু ও কাশ্মিরীদের কাছ থেকে ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে পড়বে নরেন্দ্র মোদির সরকার।

কাতারভিত্তিক জনপ্রিয় পত্রিকা আল জাজিরা অনলাইনের খবরে বলা হয়েছে, ভারত রাষ্ট্রপতির এক ডিক্রির মাধ্যমে কাশ্মিরের বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নিয়েছে। গত সাত দশকেরর মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চলটির জন্য এটি সবচেয়ে বিতর্কীত সিদ্ধান্ত। আল জাজিরা আরো লিখেছে, এই পদক্ষেপের সমালোচকরা বলছেন, সরকার আশা করছেন আর্টিকেল-৩৭০ বাতিলের মাধ্যমে হিন্দুদের কাশ্মিরে জমি কিনে বসবাসের ধারা তৈরি করে তারা মুসলিম অধ্যুষিত কাশ্মিরের জনসংখ্যার চিত্র পাল্টে দিতে পারবেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সংবাদ মাধ্যম সিএনএন লিখেছে, কাশ্মিরের শাসন পদ্ধিতিকে বিতর্কীত এক পরিবর্তন এনেছে মোদি সরকার। সিএনএন অনলাইন তাদের রিপোর্টে লিখেছে, কাশ্মির কার্যত স্তব্ধ এখন। একটি থিঙ্ক ট্যাঙ্ক এই পদক্ষেপকে কাশ্মিরবাসীর জন্য ‘মানসিক আঘাত’ হিসেবে বর্ণনা করেছে বলে জানিয়েছে সিএনএন।

আরেক মার্কিন সংবাদপত্র ওয়াশিংটন পোস্ট লিখেছে, মোদি সরকারের এই পদক্ষেপ সেখানে নতুন করে সঙ্ঘাতের ক্ষেত্র প্রস্তুত করেছে। এতে বলা হয়েছে, নয়া দিল্লির সাথে জম্মু ও কাশ্মির সম্পর্ক আরো খারাপ হয়েছে এর ফলে।

পাকিস্তানের দ্য ডন নিউজ বলেছে, কাশ্মিরকে মুসলিম প্রধ