শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ডেঙ্গুর টিকা আনতে উদ্যোগ নেবে ডিএসসিসি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ৩০ পেরিয়েছেন? সুস্থ থাকতে গড়ে তুলুন ৭ অভ্যাস জমজমের বরকতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা দেশমাতৃকা উলামায়ে কেরামের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজদের মধ্যে ব্রেইল কুরআন ও সাদাছড়ি বিতরণ দেশে ফিরেছেন সৌদি আরবে আটকে পড়া ৫০ ওমরাহযাত্রী মাওলানা নূরুল হক রহ.-এর কবর জিয়ারত করলেন খেলাফত মজলিস আমির ঢাবির গবেষকদের ‘স্মার্ট ফাঁদে’ শনাক্ত হবে এডিস মশার বিস্তার

দক্ষিণ আফ্রিকায় ২ বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে দুই বাংলাদেশিসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। গুলিবিদ্ধ হয়েছেন দুই বাংলাদেশিসহ আরও তিনজন।

স্থানীয় সময় রোববার রাত ৮টার দিকে ইস্টার্নক্যাপ প্রভিন্সের কেপটাউন থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরে মাউসবেরী এলাকায় একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- আলম মোল্লা (৩৫), উজ্জ্বল মাঝি (৩৩) এবং অজ্ঞাত পরিচয় এক বিদেশি নাগরিক। গুলিবিদ্ধ হয়েছেন তুহিনসহ তিনজন। নিহত দুই বাংলাদেশির বাড়ি শরীয়তপুরে বলে জানা গেছে।

নিহত আলম মোল্লা শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার কাপাসপাড়া গ্রামের ইব্রাহিম মোল্লার ছেলে। তিনি ওই দোকানে চাকরি করতেন। দুই বছর আগে দক্ষিণ আফ্রিকায় যান তিনি। উজ্জ্বল মাঝির বাড়িও শরীয়তপুরের ভেদেরগঞ্জের কাইচকাড়ি গ্রামে। তিনি এক যুগ ধরে দক্ষিণ আফ্রিকায় বসবাস করছেন। তিনি ছিলেন ওই দোকানের মালিক। আহত তুহিনের বাড়ি বরিশাল জেলায়।

জানা যায়, রোববার বাংলাদেশি মালিকানাধীন ওই দোকানে পাঁচ বাংলাদেশিসহ ছয়জন অবস্থান করছিলেন। এ সময় কিছু বুঝে ওঠার আগেই সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসীরা চাঁদার দাবিতে তাদের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি করতে থাকে। এতে ঘটনাস্থলে আলম মোল্লা ও উজ্জ্বল মাঝি এবং অজ্ঞাত পরিচয় বিদেশি মারা যান। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও তিনজন।

স্থানীয়রা জানান, সন্ত্রাসীরা দোকানের টাকা-পয়সা এবং মালামাল কোনো কিছু নিয়ে যায়নি। অনেকের ধারণা, এটি কোনো ডাকাতির ঘটনা নয়, পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।

প্রবাসী বাংলাদেশিদের কেউ কেউ বলছেন, রোববার দুপুরে স্থানীয় কয়েকজন বখাটের সঙ্গে পণ্যের দাম ও ভাংতি টাকা নিয়ে দোকানিদের বাকবিতণ্ডা হয়।

ধারণা করা হচ্ছে, এ ঘটনার জের ধরে এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। বন্দুকধারীদের এখনও পর্যন্ত চিহ্নিত করতে পারেনি পুলিশ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি প্রশাসন।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ