শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
শহীদ নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান খেলাফত মজলিস আমিরের ডেঙ্গুর টিকা আনতে উদ্যোগ নেবে ডিএসসিসি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ৩০ পেরিয়েছেন? সুস্থ থাকতে গড়ে তুলুন ৭ অভ্যাস জমজমের বরকতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা দেশমাতৃকা উলামায়ে কেরামের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজদের মধ্যে ব্রেইল কুরআন ও সাদাছড়ি বিতরণ দেশে ফিরেছেন সৌদি আরবে আটকে পড়া ৫০ ওমরাহযাত্রী মাওলানা নূরুল হক রহ.-এর কবর জিয়ারত করলেন খেলাফত মজলিস আমির

আপনার মামলার কারণে তাহেরী আরাে উড়বে, আদালতে বিচারক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বিতর্কিত বক্তা মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরীর বিরুদ্ধে ইসলামকে অবমাননা করার অভিযােগে সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামলা করা হয়েছে।

আজ রােববার বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ স ম জগলুল হােসেনের আদালতে আইনজীবী ইব্রাহিম খলিল বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

দুপুর পৌনে ২টায় আদালতের পেশকার মামলাটি বিচারকের সামনে উপস্থাপন করেন। এরপর বিচারক ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারা মােতাবেক বাদীর জবানবন্দি শুনেন।

জবানবন্দিতে বাদী বলেন, গত ৩১ আগস্ট সকাল ১০টায় আমি চেম্বারে এসে দেখি মেঘনা টিভি সিএম নামের একটি ইউটিউব চ্যানেলে ওয়াজে ইসলামকে ব্যঙ্গ করা হচ্ছে। সেই ওয়াজ করছিলেন। মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরী। ওয়াজে তাহেরী বলেন, “খান, ঢেলে দেই। যা সম্পূর্ণ অশ্লীল শব্দ।”

বাদী বলেন, চিশতী বিডি নামের আরেকটি ইউটিউব চ্যানেলে তাহেরী বলেন, কিছু কিছু ইউটিউবার ধান্দাবাজ। এ ছাড়া আরেকটি ভিডিউতে দেখা যায়, আসামি একটি ওয়াজে বলেন, ইউনিভার্সিটির কিছু মাইয়া আছে। হেরা মডেলিং করে। তােমরার কপালে বেহেস্ত নেই। বিজ্ঞ আদালত আসামির এ বক্তব্য গােটা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে। কে বেহেস্ত যাবে কে যাবে না সেটা একমাত্র ধর্ম অনুযায়ী আল্লাহই জানেন।

বাদী বলেন, “আসামির আরেকটি ভিডিওতে বলা হয়, একজন তাহাকে জিজ্ঞাসা করেন বিরি খাওয়ার দোয়া কোনটা? তখন আসামি বক্তব্যে বলেন, আল্লাহুম্মা বারেক লানা ফি মা বিড়ি টানা। এ ধরনের কোনাে দোয়া ইসলামের কোথাও বলা নেই। উক্ত বক্তব্যর মাধ্যমে ইসলাম ধর্মকে ব্যঙ্গ ও অবমাননা হইয়াছে।”

পরক্ষণে জবানবন্দি শুনে বিচারক বাদীকে বলেন, আসামির ওয়াজে আপনার কি মূল্যবােধে আঘাত এনেছে?” জবাবে বাদী বলেন, হ্যাঁ, আমি একজন মুসলমান হিসেবে আসামি আমার ধর্মীয় মূল্যবােধে আঘাত এনেছে।

বিচারক বাদীকে আবারও বলেন, একেক জন একেক রকম জিকির করতে পারে, এতে আপনার সমস্যা কী? বিচারক আরাে বলেন, আপনার মামলার কারণে তাহেরী আরাে উড়বে। আপনি কোতােয়ালি থানায় মামলা করতে গেছেন, সেখানে পুলিশ ধর্মীয় মূল্যবােধে আঘাতের কোনাে প্রমাণ পায়নি বিধায়, মামলা নেয়নি।

এরপর বিচারক বাদীর কাছ থেকে পেনড্রাইভ (পেনড্রাইভে ওয়াজের ভিডিও) রেখে দিয়ে মামলা আমলে নেবেন কি না, সে বিষয়ে আদেশ পরে দিবেন বলে জানান।

মামলার বাদী ইব্রাহিম খলিল বলেন, বিচারক মামলাটি পর্যালােচনা করছেন। আমার দেওয়া ভিডিওগুলাে বিচারক পর্যালােচনা করেই মামলা আমলে নেবেন কি না, তখন জানা যাবে।

আরএম/

 


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ