শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
বিশ্বমানের একটি জামিয়ার গল্প যুক্তরাষ্ট্রে জুমার বয়ান ও ইমামতি করলেন পীর সাহেব চরমোনাই শোক জানাতে মাওলানা সাঈদুর রহমান আজমির বাসভবনে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ঢাকার আবহাওয়া আজ কেমন থাকবে, জানাল অধিদপ্তর খেলাফত শ্রমিক মজলিসের ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ শাখা পুনর্গঠন, নেতৃত্বে যারা ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের ৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ গঠন শহীদ নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান খেলাফত মজলিস আমিরের ডেঙ্গুর টিকা আনতে উদ্যোগ নেবে ডিএসসিসি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান

যে গ্রামের বাসিন্দারা সবাই কোটিপতি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: যে গ্রামের মানুষ একসময় খুব গরিব ছিল, সাধারণ কৃষিকাজ ছিল যাদের পেশা; সেই তারাই এখন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী। তাদের গ্রামটি সারা বিশ্বে এখন কোটিপতিদের গ্রাম হিসেবে স্বীকৃত-পরিচিত গণমাধ্যমের কল্যাণে।

এই গ্রামের বাসিন্দাদের প্রত্যেকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আছে ২৫ লাখ ডলার বা বাংলাদেশি টাকায় ২১ কোটি ২৪ লাখ টাকা প্রায়। চীনের এই গ্রামটির নাম হুয়াক্সি। এটিকে কমিউনিস্ট ইউটোপিয়া বা ‘সাম্যবাদের কল্পরাজ্য’ বলা হচ্ছে।

বিজনেস ইনসাইডারের প্রতিবেদনে বলা হয়, হুয়াক্সির সবাই ধনী হলেও সেখানকার বাসিন্দাদের মেনে চলতে হয় কঠোর নিয়মকানুন। গণমাধ্যমের সামনে কারও কথা বলার অনুমতি নেই। একসময়ের খুব সাধারণ কৃষকসমাজ ইস্পাত ও জাহাজের বাজারে বহু কোটি টাকার সম্পদের রাজ্যে রূপান্তরিত হয়েছে।

এখানে দুই হাজার নিবন্ধিত অধিবাসী বাস করেন। তাঁদের স্বাস্থ্য, শিক্ষাসহ সবকিছু বিনামূল্যেই দেওয়া হয়। এখানকার প্রত্যেকেই সাত দিনই কাজ করেন। তাঁদের ছুটি বলে কিছু নেই। গ্রামটি প্রতিষ্ঠা করেন হুয়াক্সি ভিলেজ কমিউনিস্ট পার্টি কমিটির সাবেক সেক্রেটারি উ রেনবাও। জিয়াংশু প্রদেশে অবস্থিত হুয়াক্সি গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে পরিবারের সদস্যসংখ্যা অনুযায়ী কম করেও দুটি গাড়ি রয়েছে।

শুধু তা-ই নয়, ২ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলারের ব্যাংক-ব্যালেন্স রয়েছে। সঙ্গে রয়েছে বিনা মূল্যে স্বাস্থ্য পরিষেবা ও শিক্ষা। ২০১১ সালে গ্রামটির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ৩২৮ মিটার উঁচু বড় ভবন তৈরি করা হয়। গ্রামের সব বাসিন্দা একসঙ্গে সমবেত হওয়া ও খাওয়ার জন্য বিশাল জায়গা রয়েছে।

গ্রামে জুয়া খেলা ও মাদকসেবন পুরোপুরি নিষিদ্ধ। গ্রামটির বড় আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে—গ্রাম ছাড়লেই সব শেষ! কেউ সঙ্গে কিছু নিতে পারবে না। গ্রামের সম্পদ গ্রামেই থাকবে।

সূত্র: বিজনেস ইনসাইডার

আরএম/

 


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ