শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মডেল মসজিদ ইমাম পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি হলেন মাওলানা আহমেদ মাসরুর রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ১০ জনের মৃত্যুতে ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিবের শোক মসজিদে বোমা হামলার পরিকল্পনা থেকে মার্কিন সেনার ইসলাম গ্রহণ! মারকাযুল ফুরকানের বর্ণাঢ্য আয়োজনে মেধা প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ ‘মুহাম্মদ’ নাম নিয়ে ট্রাম্পের ব্যঙ্গ নিয়মিত নামাজ আদায়ের শীর্ষে আফগানিস্তান, দৈনিক নামাজ পড়েন ৯৬ শতাংশ লালন দর্শন ও ইসলামের আকিদা: কুরআন-সুন্নাহর আলোকে কয়েকটি মৌলিক মতপার্থক্য মহানবী (সা.)-কে কটূক্তির অভিযোগে ইরানি তরুণীর মৃত্যুদণ্ড আমিরে মজলিসের ১৬ লাখ অনুসারীর ফেসবুক আইডি সরিয়ে দিল মেটা ‘ইসলামের আলোকে নারীর যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হবে’

জি কে শামীমকে রাজনৈতিকভাবে ফাঁসানো হয়েছে: শুনানিতে আইনজীবী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: জি কে শামীম একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। তিনি সরকারের বহু প্রজেক্টে কাজ করছেন। তাকে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ফাঁসানো হয়েছে। তাই ঠিকাদার জি কে শামীমের রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন করছি।

শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শুনানি চলার সময় এসব কথা বলেন শামীমের আইনজীবী ও আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনালের প্রসিকিউটর আব্দুর রহমান হাওলাদার।

আব্দুর রহমান হাওলাদার শুনানিতে বলেন, তিনি (শামীম) রাজনৈতিকভাবে ফেঁসে গেছেন। যে অস্ত্র পাওয়া গেছে, সেগুলো তার বৈধ অস্ত্র। তিনি এগুলো অবৈধ কাজে ব্যবহার করেন না। জি কে শামীমের কাছ থেকে যে টাকা পাওয়া গেছে সেগুলোও বৈধ। তিনি পঙ্গু হাসপাতালসহ কয়েকটি প্রজেক্টে কাজ করছেন। ৫০০ লোক কাজ করলে প্রতিদিন তাদের পারিশ্রমিক দেয়া লাগে। এ জনই তিনি তার প্রতিষ্ঠানে এভাবে নগদ টাকা রেখেছেন। তাই আসামি জি কে শামীমের জামিনের আবেদন করছি।

এসময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজাদ রহমান বলেন, জি কে শামীম অস্ত্র ব্যবহার করে টেন্ডারবাজি ও গরুর হাটে চাঁদাবাজি করতেন। তার দেহরক্ষীরা সাধারণ মানুষকে জিম্মি করত। তার সব দেহরক্ষীই নিজস্ব, সরকারি অনুমতিতে রাখা হয়নি। একজন মন্ত্রীও এত দেহরক্ষী রাখেন না। শামীম দেহরক্ষী দেখিয়ে টেন্ডারবাজি করেন। আর তিনি দেশের একমাত্র ঠিকাদার না যে সব কাজ তিনিই পাবেন। প্রভাব খাটিয়ে তার দেহরক্ষীরা অস্ত্র দেখিয়ে টেন্ডারবাজি করতেন। তাই তাকে ও তার দেহরক্ষীদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

পরে আলোচিত ঠিকাদার এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ডে দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে শামীমের ৭ দেহরক্ষীরও ৪ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছে।

এর আগে সাত দেহরক্ষীকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করে শামীমের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা দায়ের করেছে র‍্যাব। অস্ত্র, মাদক ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ এনে মামলাগুলো দায়ের করা হয়।

শুক্রবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর নিকেতনে শামীমের ব্যবসায়িক কার্যালয়ে অভিযান চালায় র‌্যাব। এ সময় সেখান থেকে বিদেশি মুদ্রা, মদ, আগ্নেয়াস্ত্র, মাদক, নগদ অর্থ, ২০০ কোটি টাকার এফডিআর চেক উদ্ধার করা হয়। সেখান থেকে শামীমসহ তার সাত দেহরক্ষীকে আটক করা হয়।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ