শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৩ মাঘ ১৪৩২ ।। ২৮ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘ইসলামী আন্দোলন চলে গেলেও ভোটের মাঠে তেমন প্রভাব পড়বে না’ গণভোটের ফটোকার্ড শেয়ার করলেন প্রধান উপদেষ্টা জনগণের প্রত্যাশিত শক্তিশালী গণতন্ত্রকে ফেরাবই : সালাহউদ্দিন আহমেদ টিকে গেলেন হাসনাত, বাদ পড়লেন ধানের শীষের প্রার্থী ভালো নির্বাচন না হলে ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে: দুদু নারায়ণগঞ্জের ৫ আসনে হাতপাখা প্রতীকে লড়ছেন যারা চান্দিনায় খেলাফত মজলিসের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মতবিনিময় সভা ‘ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগ দেওয়ার সংবাদ হীন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ ফেনী জামিয়া ইসলামিয়ায় ৫ দিনব্যাপী বাংলা ভাষা ও সাহিত্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা বেফাকের ৪৯তম পরীক্ষা শুরু, মোট শিক্ষার্থী তিন লাখ ৭৩ হাজার

যে কারণে তদন্তের মুখে 'মুসলিম অব দ্যা ইয়ার' মনোনীত সুমাইরা ফারুক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বৃটেনের মুসলিম অব দ্য ইয়ার বা বছরের সেরা বৃটিশ মুসলিম হিসেবে মনোনীত এক নারীর বিরুদ্ধে জিহাদে উস্কানি দেয়ার অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে দেশটির পুলিশ। বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে সক্রিয় থাকা ওই নারীর নাম সুমাইরা ফারুক।

সম্প্রতি বার্মিংহামে এক জনসভায় বক্তৃতা দেয়ার সময় ৩৮ বছর বয়সী ওই নারীর একটি ভিডিও ফুটেজ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম হয়।

এতে দেখা যায় তিনি বলছেন, জিহাদই হচ্ছে মুসলিমদের জন্য একমাত্র সমাধান। এরপরই তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে বৃটিশ গোয়েন্দারা।

ডেইলি মেইল জানিয়েছে, অভিযুক্ত সুমাইরা ফারুক একজন ব্যবসায়ী ও সাংবাদিক। তিনি নুর টিভির প্রধান নির্বাহী। ফুটেজটি যেদিন ধারণ করা হয়েছে, সেদিন তিনি কাশ্মীরে ভারতীয় সরকারের আচরণের নিন্দা জানাচ্ছিলেন।

সে সময় বার্মিংহামে শত শত মানুষের সামনে তিনি বলেন, আজকে শুধু একটিই স্লোগান উচ্চারিত হবে। তা হলো, কাশ্মীর থেকে কারফিউ তুলে নাও। তাদেরকে তাদের মতো করে বাঁচতে দাও।

এরপরই সুমাইরা বলেন, মুসলিমদের জন্য শুধু একটি কথাই সত্য যে, জিহাদই একমাত্র সমাধান। কোনো আন্দোলন বা কিছুই না, শুধু জিহাদ দরকার।

রোববার বার্মিংহামে তার বাড়িতে গিয়ে তাকে তদন্তের বিষয়টি জানায় পুলিশ। এসময় সুমাইরা ফারুক তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কথা অস্বীকার করে দাবি করেন, বক্তৃতায় জিহাদের শান্তিপূর্ণ অংশের কথা বুঝিয়েছেন তিনি।

উল্টো তার অভিযোগ, তার ওই বক্তৃতা নিয়ে এত সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে কারণ তিনি হিজাব পরেন।

সুমাইয়া ফারুক বলেন, আপনার যদি বৃটিশ সরকারের কোনো বিষয় ভালো না লাগে আর আপনি তার প্রতিবাদ করেন তাহলে সেটিই ইসলামের দৃষ্টিতে জিহাদ। আপনি কি ভাবছেন আমি মুসলিমদের বলছি, যাও যুদ্ধ করো! আমি এশীয়দের বৃটিশ সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে উৎসাহিত করতে নানা সময়ে কাজ করেছি। আমি কীভাবে সহিংসতায় উস্কানি দিতে পারি!

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ