রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের এতিম সন্তানদের পাশে আস-সুন্নাহ, দিলো বড় অনুদান সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা  ঢাকাই মসলিনের গবেষণায় সর্বোচ্চ সহায়তা দেবে সরকার: প্রতিমন্ত্রী পাঠ্যবইয়ে প্রাণীর ছবি থাকলে শরিয়তের বিধান কী? সাভারে মহিলা মাদরাসায় হামলা, আতঙ্কে ছাত্রী-অভিভাবক কুমিল্লার বটগ্রাম মাদরাসার নতুন মুহতামিম মাওলানা জামালুদ্দীন জমি নিয়ে বিরোধে মসজিদের ইমামকে কুপিয়ে জখম শরীয়তপুর যুব জমিয়তের সভাপতি এনামুল, সম্পাদক তাজুল জুলাই সনদ উপেক্ষা করলে সংবিধান পুনর্লিখনের আন্দোলন: আমিরে মজলিস ইন্ডিয়া ইসলামিক একাডেমি দেওবন্দের প্রথম অফলাইন কেন্দ্র হচ্ছে তেলেঙ্গানায়

বঙ্গোপসাগর পর্যবেক্ষণ করতে বাংলাদেশে ২০টি রাডার বসাবে ভারত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বাংলাদেশের উপকূলে ২০টি রাডার সিস্টেম নেটওয়ার্ক স্থাপন করবে ভারত। নতুন এ নেটওয়ার্কের নাম কোস্টাল সার্ভিলেন্স রাডার সিস্টেম ইন বাংলাদেশ। এটি সমুদ্রপথে যেকোনো সন্ত্রাসী হামলা সনাক্ত করতে ভারতকে সাহায্য করবে। সেই সঙ্গে প্রতিবেশীদের নৌসীমানায় দৃষ্টি রাখতে পারবে।

শনিবার (৫ অক্টোবর) নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে বৈঠক হয়। এরপরেই কোস্টাল সার্ভিলেন্স রাডার সিস্টেম ইন বাংলাদেশ স্থাপনের বিষয়ে সমঝোতা স্বারক স্বাক্ষরিত হয়।

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তির অধীনে এমন ব্যবস্থা নিয়ে বঙ্গোপসাগর এলাকায় অধিক কড়া দৃষ্টি রাখবে ভারত।

একই রকম উপকূলীয় নজরদারি বিষয়ক নেটওয়ার্ক ভারত মহাসাগরীয় অন্য দেশগুলোতেও স্থাপন করছে ভারত। তার মধ্যে রয়েছে মৌরিতিয়াস, শ্রীলঙ্কা, সিসিলি এবং মালদ্বীপ।

ভারত যে রাডার সিস্টেম বসানোর কথা বলেছে, তা বাংলাদেশকে এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনে নিরাপদ প্রহরী হিসেবে কাজ করবে। তবে সূত্রগুলো বলেছেন, এ নেটওয়ার্ক হবে ভারতের জন্য একটি কৌশলগত সম্পদ এবং এটা ভারতের নৌবাহিনীর জন্য হবে সহায়ক। তারা এটা ব্যবহার করে জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি কোনো রকম হুমকি সনাক্ত ও তার জবাব দিতে পারবে।

উল্লেখ্য, গত মাসে ভারতের নৌবাহিনীর গোয়েন্দা বিমান ভারত মহাসাগর ও এর আশপাশের অঞ্চলে গণচীনের লিবারেশন আর্মি নেভি’র সাতটি যুদ্ধজাহাজকে অপারেশনে আছে বলে সনাক্ত করে। গত বছর ভারত মহাসাগরে চীনের নৌবাহিনীর টাইপ ০৩৯এ ইউয়ান ক্লাসের একটি সাবমেরিন সনাক্ত করা হয়।

২০১৭ সালের জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত পশ্চিম ভুটানের দোকলাম উপত্যকা নিয়ে ভারত ও চীনের মধ্যে এক অস্থিরতা সৃষ্টি হয়। তারপর ভারত মহাসাগরে চীনের নৌবাহিনীর একটি সাবমেরিন ভারতের সনাক্ত করার ঘটনা এটাই প্রথম। দোকলাম নিয়ে ভারতের সঙ্গে চীনের যখন ৭২ দিনের অচলাবস্থা দেখা দেয় তখন ভারত মহাসাগরে চীনের নৌবাহিনীর ১৪টি যুদ্ধজাহাজ ও সাতটি সাবমেরিন অবস্থান করছিল ভারত মহাসাগরে।

২০১৩ সাল থেকে ভারত মহাসাগরে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন শুরু করে গণচীনের লিবারেশন আর্মি নেভি। তখন বলা হয়, অ্যাডেন উপসাগরে জলদস্যুবিরোধী অপারেশনে তারা নিয়োজিত। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীন যে ‘স্ট্রিং অব পার্লস’ কৌশলগত সম্পদ গড়ে তুলছে তা নিয়ে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি। সূত্র: ডেকান হেরাল্ড

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ