সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু আজ, প্রচারণার নির্দেশ আজও রিয়াদগামী ২ ফ্লাইট বাতিল, ৩ দিনে মোট ৯টি সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে ফের হামলা: নিহত ১, আহত ১১ স্ত্রীর মৃত্যুর সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর নামাজরত অবস্থায় প্রাণ হারালেন স্বামী সৌদি বিমানবন্দরে হামলায় আহত ২৪ বাংলাদেশির ১৩ জনই ওমরাহযাত্রী

প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে ৮টি ভুল ধারণা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আয়েশা আক্তার ।।

ছোটখাটো অসুখবিসুখ ও কাটাছেড়ার ক্ষেত্রে যে প্রাথমিক চিকিৎসা দরকার সেগুলো আমরা কমবেশি জানি। জ্বর এলে মাথায় পানি দেওয়া, পুড়ে গেলে পানিতে ভিজিয়ে ঠান্ডা করা ইত্যাদি। কিন্তু আমরা যে প্রাথমিক চিকিৎসাটি প্রয়োগ করি সেটা কি সঠিক? আমাদের মধ্যে প্রচলিত কিন্তু পদ্ধতিগতভাবে ভুল কিছু প্রাথমিক চিকিৎসার কথা আজ জানা যাক, সাথে সঠিক পদ্ধতিও।

১. ঠান্ডায় কাঁপুনি দিয়ে জ্বর বাড়লে কাপড় জড়িয়ে শরীর আরো উষ্ণ রাখা
জ্বরের সময় ছাড়াও মাঝে মাঝে এমন হয় যে, একদিকে ঠান্ডায় শরীর কাঁপছে আবার গরমে গা ঘামছে। এসময় শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত উঠানামা করে। এ অবস্থায় বেশিরভাগ সময় আমরা ঠান্ডায় কাঁপুনি এড়াতে গায়ে কম্বল বা কাঁথা দিই যা একটি মারাত্মক ভুল।

আমাদের শরীর জীবাণু প্রতিহত করে জন্য এ সময় তাপমাত্রা বেড়ে যায়। কিন্তু শরীরের তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস বা ১০০ ডিগ্রী ফারেনহাইট ছাড়ালে তা শরীরের জন্য হয়ে ওঠে মারাত্মক ক্ষতিকর। তাই ঠান্ডায় কাঁপুনি লাগার সাথে যদি দেহের তাপমাত্রা বেড়ে যায় তখন গায়ের জামা খুলে বাতাস চলাচলের অর্থাৎ শরীরের তাপমাত্রা কমানোর ব্যাবস্থা করতে হবে।

২. অজ্ঞান হওয়া ব্যক্তির মুখে শক্ত কিছু দেওয়া
মৃগী রোগীদের প্রধান সমস্যাই হলো হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যাওয়া। এসময় রোগীর দাঁতের নিচে অনেকসময় জিহ্বা চলে আসে জন্য অনেকে মনে করেন এতে রোগীর জিহ্বা কেটে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। এজন্য তারা ব্যক্তির অজ্ঞান হওয়ার সাথে সাথে দাঁতের নিচে শক্ত কিছু দেওয়ার চেষ্টা করেন। বরং এতে শক্ত কিছু কামড়াতে গিয়ে অজ্ঞান ব্যক্তির দাঁত ভাঙার সম্ভাবনা থাকে। তার চেয়ে অজ্ঞান হওয়ার পর যদি রোগীর মাথার নিচে বালিশ বা নরম কিছু দেওয়া যায় তাতে রোগী মাথায় আঘাত থেকে রক্ষা পায়।

৩. পোড়া জায়গায় সাথে সাথে মলম ব্যবহার করা
যখন ত্বকের কোনো স্থান পুড়ে তখন ঐ স্থানের অনেক গভীর পর্যন্ত কোষে তাপ ছড়িয়ে পড়ে। অত্যাধিক তাপে কোষগুলো ক্ষতিগ্রস্থ হয়, এজন্য বেশিক্ষণ পুড়লে ঐ স্থান ঝলসে যায়। এমতাবস্থায় যে স্থান পুড়েছে সেখানকার তাপমাত্রা কমিয়ে আনা হবে প্রথম কাজ। সেজন্যে পোড়া জায়গা কমপক্ষে ১৫ মিনিট ঠান্ডা পানিতে ডুবিয়ে রাখতে হবে। তারপরে পোড়ার ধরণ অনুযায়ী চিকিৎসা নিতে হবে। অল্প আঁচে পুড়লে ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে ঠান্ডা করে তারপরে মলম লাগানো উচিত। ত্বক ঠান্ডা না করে কোনভাবেই মলম দেওয়া উচিত নয়।

৪. দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিকে টেনে বের করা
সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিকে দুর্ঘটনার স্থান থেকে সাথে সাথেই টেনে বের করà