আওয়ার ইসলাম: ভারতে সরকারের তরফে সিএএ ও এনআরসি আইন প্রণয়নের ফলে বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে কিছুটা চিড় ধরেছে।যা ভারত সরকারকে কিছুটা হলে চাপে ফেলেছে। শুধু বাংলাদেশ নয় মােদি সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে মালয়েশিয়ার মতাে মুসলিম দেশও। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মােহাম্মদও ভারতের নতুন নাগরিকত্ব আইনকে ‘মুসলিমের নাগরিকত্ব কেড়ে নেয়ার চেষ্টা' বলে মন্তব্য করেছেন।
প্রতিবেশী দেশগুলাের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঠেকাতে নতুন বার্তা দিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মােদি। রামলীলার নির্বাচনী প্রচারের মঞ্চে বাংলাদেশকে উদ্দেশ্য করে মােদি বলেন, বহু বছর পরে বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক এতটা ঘনিষ্ঠ হয়েছে। দেশভাগের সময় থেকে চলে আসা সমস্যা মেটাতে সক্রিয় হয়েছে দু'দেশ। সীমান্ত সমস্যা ছাড়া যােগাযােগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, যেমন- রেল, ব্রডব্যান্ড, জলপথে যাতায়াতের প্রশ্নে দু'দেশ এক সঙ্গে কাজ করছে।
পাকিস্তান প্রসঙ্গে মােদি বলেন, ২০১৪ সালে ক্ষমতায় এসেই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে ডেকেছিলাম। নতুনভাবে বন্ধুত্বের হাত বাড়ানাে হয়েছিল। আমি লাহােরও গিয়েছিলাম। কিন্তু ধোঁকার শিকার হয়েছি।'
মােদি সরকার মুসলিম-বিরােধী বলে বিরােধীরা যে প্রচার চালাচ্ছে তার প্রভাব যে আন্তর্জাতিক স্তরে পড়েছে তা বুঝতে পারছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। এ দিন তিনি বলেন, সৌদি আরব এ দেশের হজ যাত্রীদের কোটা বাড়িয়েছে। মুসলিম দেশগুলি আগের চেয়ে অনেক বেশি ভারতীয় কয়েদিকে ছাড়তে শুরু করেছে। সৌদি ছাড়াও ইরান, ফিলিস্তিন, বাহরাইন, মালদ্বীপ, জর্ডানের মতাে দেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক মজুবত হয়েছে।'
মােদির অভিযােগ, মুসলিম দেশগুলাে মােদিকে সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান দিচ্ছেন- এটা ভাল লাগছে না কংগ্রেসের। তারা মনে করছে মুসলিম দেশগুলি মােদিকে সমর্থন করলে বিরােধীরা কী করে এ দেশের মুসলিমদের ভয় দেখাবেন। সেই কারণেই চক্রান্ত করা হচ্ছে।
আরএম/