সুফিয়ান ফারাবী
বিশেষ প্রতিবেদক
থার্টি ফার্স্ট নাইট বা ঈসায়ী সনের প্রথম দিন। এই দিনটিকে ঘিরে ইউরোপ-আমেরিকাসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বিশেষভাবে আনন্দ, বিনোদন ও প্রমোদের ব্যবস্থা করা হয়। উদ্দাম নৃত্য, হই হুল্লোড়, মদ্যপান, অবৈধ মেলামেশা, এসব সে দিনটির জন্য বিনোদনের বিশেষ উপাদান। অবশ্য ইংরেজরা ঐতিহাসিকভাবে দিবসটি পালন করে আসছে বর্ষবরণ উৎসব হিসেবে।
তবে অনেক আলেম ও ইতিহাসবিদরা বলছেন, এটা নিছক কোনো বর্ষবরণ উৎসব নয়। এর গোড়াপত্তন ধর্মীয় বিশ্বাসের উপর ভিত্তি। প্রাচীন রোমান সভ্যতার যুগে কিছু গ্রাম্য ও অশিক্ষিত খ্রিস্টানদের মাধ্যমে এ ধর্মীয় সংস্কৃতি চালু হয়। যেটা আজ শুধু ইউরোপ-আমেরিকাতেই নয়, বরং সারাবিশ্বে তার কালো থাবা ফেলতে সক্ষম হয়েছে।
ইতিহাসবিদদের তথ্যমতে, আনুমানিক দেড়শ’ বছর আগে শুধুমাত্র পশ্চিমাঞ্চলেই এই উৎসবের আয়োজন করা হতো। তবে গত দেড়শ’ বছরে সাংস্কৃতিক এই ক্যান্সারটি আফ্রিকা, মিডিলিস্ট ও ভারত উপমহাদেশসহ সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। যা এখন সারাবিশ্বে বর্ষবরণ উৎসব হিসেবে পালিত হচ্ছে।
থার্টি ফার্স্ট নাইটকে কী ইসলাম সমর্থন করে, এর গোড়াপত্তন কোথায়, এটা কী ইসলামী ও দেশীয় সংস্কৃতির জন্য হুমকি- এ সকল প্রশ্ন কথা হয় বিজ্ঞ আলেমদের সঙ্গে। কথা বলেছেন ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন, সাবেক অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, ওমরগনি এম,ই,এস কলেজ চট্টগ্রাম, মারকাযুত তারবিয়াহ বাংলাদেশের প্রিন্সিপাল মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী, সাভার উপজেলা ওলামা পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও ব্যাংক টাউন কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মুফতি রফিকুল ইসলাম সরদার।
থার্টি ফার্স্ট নাইট দমনে সরকারকে আরো কঠোর হতে হবে: অধ্যাপক আ ফ ম খালিদ হোসাইন
দিবস পালন বিষয়টি ইসলামে প্রমাণিত নয়। কোন নবি বা সাহাবির যুগে এর রেওয়াজ ছিল না। বর্ষবরণের ফাঁক দিয়ে আমাদের দেশে বর্তমানে পশ্চিমা বিশ্বের দুর্গন্ধযুক্ত থার্টি ফার্স্ট নাইট সাংস্কৃতি অনুপ্রবেশ করেছে। যে দিনটিকে কেন্দ্র করে মানুষের সভ্যতার অবক্ষয় ঘটছে।
হাজারো তরুণ নেশার জগতে অভিষেক করছে থার্টি ফার্স্ট নাইটে। অন্যদিকে হাজারো নারী তাদের চরিত্র নষ্ট করছে উৎসবের ফাঁদে পা দিয়ে। সুতরাং ইসলাম কোনভাবেই এর অনুমতি দিতে পারে না। থার্টি ফার্স্ট নাইট