সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত

আমি আজন্ম কবি, কবিতাই আমার ভালোবাসা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুহিব খান ।।

আমার লেখালেখি শুরুর দিনক্ষণ ঠিক মনে নেই। তাছাড়া লেখালেখিতে আসার কোনো উপলক্ষ, কারণ বা প্রেরণা, উল্লেখ করে বলার মতো আমার ছিল না। আমার লেখক হওয়াটা, আমি যেটা অনুভব করেছি, সরাসরি আল্লাহর তরফ থেকে একটা প্রতিভা বা যোগ্যতা আমি পেয়েছি। এবং এটা জন্মগত।

যেহেতু জন্মগত, কাজেই কৈশোরের যে বয়সে গিয়ে লেখালেখির মতো যোগ্যতা হয়েছে, ভাষাগত যোগ্যতা, লিখতে পারার মতো যোগ্যতা, সেই একান্ত কৈশোরেই আমি লিখতে শুরু করেছি।

পরিণত বয়সে, বুঝমান হয়ে, অন্যান্য লেখকদের চেনা, তাদের লেখা পড়ে লেখালেখিতে উদ্ধুদ্ধ হওয়া, আগ্রহী হওয়া, এমন গল্প আমার নেই। যখন থেকে আমি লিখতে পারি, তখন থেকেই আমি লিখতে শুরু করেছি। যখন থেকে চিন্তা করার বয়স হয়েছে, লেখার জন্য কিছু চিন্তা-গবেষণা করতে পারি, তখন থেকেই আমি লিখতে শুরু করেছি। আমার প্রাথমিক শিক্ষার সময়েই সেটা হয়েছে।

লেখালেখি একটা সাধনার বিষয় বটে, তবে আমার সাধনাটা কখনোই লেখার সাধনা ছিল না। আমার সাধনাটা ছিল চিন্তার সাধনা। ভাবনার সাধনা। আমি ভাবনার জগতে কাজ করি। চিন্তার জগতে কাজ করি। সাধনাটা আমার চিন্তায়। চিন্তা থেকে যখন কিছু তৈরি হয়, ভাবনা থেকে যখন কিছু উৎপন্ন হয়, সেটাই আমি আমার লেখায় প্রকাশ করার চেষ্টা করি।

লিখতে শেখার যে সাধনা, লেখার প্রকাশভঙ্গি, ভাষাগত জ্ঞান, লেখার স্টাইল, লেখার মাপজোখ, এগুলো শেখার জন্য আমার জীবনে কোনো ঘটনা নেই। কোনো উস্তাদ, কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষণ আমার কখনো নেয়া হয়নি।

লেখালেখির কোনো কৌশলও আমার শিখতে হয়নি। আমার ভাবনা-চিন্তার জায়গায় যখন আমি কিছু পেয়ে যাই, সেটা প্রকাশ করতে আমার কখনো কোনো সমস্যা হয় না। আমার লেখার জন্য আলাদা টেবিল, নির্দিষ্ট খাতা বা ডায়েরি, নির্ধারিত সময় বা নির্দিষ্ট কোনো আয়োজনও নেই।

যেকোনো সময়, যেকোনো ভাবনা আমার আসতে পারে, সেই ভাবনা থেকে একটা লেখা দাঁড়িয়ে যেতে পারে। আর কখন ভাবনা আসবে সেটা আমি আগে থেকেও জানি না। একটা লেখা যখন আমার ভেতরে তৈরি হয়ে যায়, সেটা লেখার জন্য আমি প্রস্তুতি নেয়ার সময় পাই না। তাৎক্ষণিক কোথাও না কোথাও আমি সেই লেখাটা লিখে ফেলি এবং সেটাই হয় আমার ফাইনাল লেখা।

প্রতিদিনই লেখার জন্য কিছু সাধনা, প্রতিদিনই লেখার জন্য ভাবনা বা সপ্তাহে কিছু নিয়ম করে লেখা, মাসে নিয়ম করে কিছু লেখা, কিংবা কী কী নিয়ে ভবিষ্যতে লিখতে চাই- সেইরকম কোনো প্ল্যান-প্রোগ্রাম মাথায় সাজিয়ে রাখা, সেই মোতাবেক আমার লেখা এগিয়ে নেয়া বা কত দিনের মধ্যে, কত মাসের মধ্যে, কত বছরের মধ্যে আমি কোন লেখাটা শেষ করতে চাই, সেইসব ট্র্যাক সাজিয়ে নেয়া, এই কমন বিষয়গুলো আমার মধ্যে নেই।

আজ হয়তো কিছু লিখছি, কাল à