সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সৌদি আরব ও কাতারের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বিশ্বজয়ী হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরাকে সংবর্ধনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয় লক্ষ্মীপুরে ড্রাম ট্রাকচাপায় বৃদ্ধ ভ্যানচালকের মৃত্যু দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু আজ, প্রচারণার নির্দেশ

একজন আনোয়ার শাহ রহ. স্মরণে...

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

রিদওয়ান হাসান ।।

মাওলানা আতহার আলী রহ. ছিলেন উপমহাদেশের একজন নন্দিত পুরোধা ব্যক্তিত্ব। রাজনীতি, সমাজসেবা, মসজিদ-মাদরাসা প্রতিষ্ঠা থেকে নিয়ে ব্যক্তিজীবনে যেমন ছিলেন একজন একনিষ্ঠ বুজুর্গব্যক্তি। তেমনি পাক-ভারতবর্ষে ইসলামি আন্দোলন সংগ্রামে তাঁর অসামান্য অবদান ঐতিহাসিকভাবে স্বীকৃত। জন্মগতভাবে সিলেটি হলেও গোটাজীবন অতিবাহিত করেছেন বৃহত্তর ময়মনসিংহে।

কিশোরগঞ্জ জামিয়া ইমদাদিয়া এবং শহীদী মসজিদ তার অমর কীর্তি। এছাড়া বিভাগীয় শহর ময়মনসিংহের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত জামিয়া ইসলামিয়া তাঁর জীবনের আরেক কীর্তিমান অধ্যায়। বিশাল এই জামিয়ার চারদেয়ালের ভেতরেই তিনি চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন। ইলমে ওহী থেকে শুরু করে সাহিত্য-সাংবাদিকতাসহ সকল ক্ষেত্রেই এই মহান মনীষী ব্যাপক সেবা দিয়ে গেছেন।

শেষ রাতে মহান আল্লাহর দরবারে রোনাজারির পাশাপাশী রাজনৈতিক ময়দানেও তিনি ছিলেন আকাবীরদের এক উজ্বল নমুনা। শুধু মসজিদ-মাদরাসার চার দেয়ালের আঙ্গিনায় নয়, তিনি একজন সফল পার্লামেন্টারিয়ান হিসেবে জাতির বৃহত্তর স্বার্থে কথা বলে গেছেন।

মহান এই সংগ্রামী পুরুষের যোগ্য উত্তরসুরী হলেন আল্লামা আযহার আলী আনোয়ার শাহ। বলতে খুব কষ্ট হলেও এটাই চিরন্তন সত্য, তিনিও আজ ইহলোকের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে আল্লাহর সান্নিধ্যে চলে গেছেন। আল্লাহ তাকে জান্নাতের উচ্চমকাম দান করুন।

আল্লামা আনওয়ার শাহ রহ. ছিলেন কিশোরগঞ্জ জামিয়া ইমদাদিয়ার প্রিন্সিপাল। সেই সাথে বাংলাদেশ কওমী মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকের সহসভাপতি এবং কিশোরগঞ্জ শহীদী মসজিদের খতীব। তিনি একজন বরেণ্য সুবক্তা হিসেবে সর্বত্র পরিচিত। তার শুদ্ধ বাংলায় কথা বলার ভঙ্গি এবং সুরম্য মিনারের মতো কোরআন তেলাওয়াতের সুর আজও কানে ভাসে।

তিনি শত ব্যস্ততা থাকলেও মজলিসে দাওয়াতুল হকের ইজতেমায় অংশগ্রহণ করতেন। তিনি মুহিউস সুন্নাহ শাহ আবরারুল হক হারদুয়ী রহ. এর খলিফা ছিলেন। এছাড়াও তিনি আরো চার মনীষী থেকে খেলাফত লাভ করেছিলেন যদিও। তবে তিনি দাওয়াতুল হকের নিসবতেই কাজ করতেন বেশি।

তিনি মজলিসে দাওয়াতুল হক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় দায়িত্বের সাথে যুক্ত ছিলেন। সেই সুবাদে ইশকে রাসূলের শরাব পান করে তিনি দেশের আনাচে কানাচে সুন্নতের পয়গাম নিয়ে চষে বেড়িয়েছেন।

বাবা আতহার আলী রহ. রাজনীতির পুরোধা ব্যক্তিত্ব হলেও তিনি কখনো রাজনৈতিক তৎপরতায় জড়াতে পছন্দ করেননি। এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে আনওয়ার শাহ রহ. বলতেন, ‘আমার রাজনীতিতে অংশগ্রহণ না করার পেছনে অন্যতম কারণ হচà