বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৪ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের ঘটনায় আইনের কোনও ব্যত্যয় ঘটেনি: অ্যাটর্নি জেনারেল সম্প্রীতির বন্ধনে ৪৫ বছর, নড়াইলে গা ঘেঁষে অবস্থান মসজিদ-মন্দিরের কুমিল্লায় বৃত্তি প্রদান ও আল্লামা নুরুল হক (রহ.)-এর স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নবীগঞ্জে মাদানী পাঠাগারের উদ্যোগে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি আইএবি ঢাকা দক্ষিণের মহিলা ইউনিটের ২৩ সদস্যের কমিটি ঘোষণা জেদ্দা বিমানবন্দরের নর্থ টার্মিনালের ফ্লাইট স্থানান্তর, হজ-ওমরাহ যাত্রীদের জন্য নির্দেশনা সেবার আলো মাওলানা সাজ্জাদ নোমানির নেতৃত্বে বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের নেতাদের বৈঠক দেশের ইসলামী স্কুলগুলো বড় আশীর্বাদ: মাসউদুল কাদির গণপিটুনি ও রাজনৈতিক সহিংসতায় মৃত্যু সরকারের ব্যর্থতার প্রমাণ: গাজী আতাউর রহমান

ইসলামী আন্দোলনের বিজয়ী কাউন্সিলরের কার্যালয়ে হামলা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ইবরাহিম শওকত: ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৬৭নং ওয়ার্ডে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত বিজয়ী প্রার্থী ও বর্তমান কাউন্সিলরের কার্যালয় ও তার সমর্থকদের বাড়িতে এবং দোকানপাটে হামলা ও ভাঙচুর লুটপাট চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা।

রবিবার রাত ১০টায় এ তাণ্ডব চালায় পরাজিত প্রার্থীর লোকেরা। এ সময় তাদের হামলায় বিজয়ী প্রার্থীর কমপক্ষে ১০ নেতাকর্মী আহত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

জানা যায়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৬৭নং ওয়ার্ডে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত বিজয়ী প্রার্থী হাজী ইবরাহিম কাছে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ফিরোজ আলম বিপুল ভোটে পরাজিত হন।

এর জের ধরে রাত সাড়ে ১০টায় ফিরোজ আলম সমর্থক মাদক ব্যবসায়ী সাহাবুদ্দিন মিন্টু, কাসেম মিয়া, কাইল্লা সেলিম, সাহেদ মিয়া, রাসেল মিয়াসহ ৫০-৬০ জনের সন্ত্রাসী বাহিনী রামদা, চাইনিজ কুড়াল, হকিস্টিকসহ দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামলা চালিয়ে ইবরাহিমের সমর্থক বক্সনগর আমতলা আদর্শ নগর এলাকায় রহিম মিয়া, আলী হোসেনের বাড়িতে ও হাকিমের দোকান এবং কাউন্সিলর কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে লুটপাট করেছে।

এ সময় ইবরাহীম সমর্থক মারুফ, সজল, পরশ, সাহিন, নাজমুল, আরিফ, সিহাব, আলামিনসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছে। সংঘর্ষের সময় সারুলিয়া ফাঁড়ির ইনচার্জ আব্দুল কুদ্দুস মিয়া কাউন্সিল কার্যালয়ের সামনে উপস্থিত ছিলেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা নিশ্চিত করেছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিজয়ী প্রার্থী কাউন্সিলর হাজী ইবরাহিম খলিল গণমাধ্যমকে বলেন, আমার প্রতিদ্বন্দ্বী ফিরোজ আলম নির্বাচনে পরাজিত হয়ে আমার নেতাকর্মীদের ঘরবাড়ি, আমার কার্যালয়ে হামলা ভাঙচুর ও লুটপাট চালিয়েছে।

এ সময় সন্ত্রাসীদের হামলায় কমপক্ষে আমার ১০ নেতাকর্মী আহত হয়েছে। বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের মনোনীত পরাজিত প্রার্থী ফিরোজ আলম জানান, আমার লোকদের ‌ওপর প্রতিপক্ষ ইবরাহীমের লোকজন হামলা চালিয়ে আমার তিন নেতাকর্মীকে পিটিয়ে আহত করেছে।

ডেমরা থানার ওসি সিদ্দিকুর রহমান জানান, কাউন্সিলর কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

আরএম/

 


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ