বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৪ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের ঘটনায় আইনের কোনও ব্যত্যয় ঘটেনি: অ্যাটর্নি জেনারেল সম্প্রীতির বন্ধনে ৪৫ বছর, নড়াইলে গা ঘেঁষে অবস্থান মসজিদ-মন্দিরের কুমিল্লায় বৃত্তি প্রদান ও আল্লামা নুরুল হক (রহ.)-এর স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নবীগঞ্জে মাদানী পাঠাগারের উদ্যোগে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি আইএবি ঢাকা দক্ষিণের মহিলা ইউনিটের ২৩ সদস্যের কমিটি ঘোষণা জেদ্দা বিমানবন্দরের নর্থ টার্মিনালের ফ্লাইট স্থানান্তর, হজ-ওমরাহ যাত্রীদের জন্য নির্দেশনা সেবার আলো মাওলানা সাজ্জাদ নোমানির নেতৃত্বে বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের নেতাদের বৈঠক দেশের ইসলামী স্কুলগুলো বড় আশীর্বাদ: মাসউদুল কাদির গণপিটুনি ও রাজনৈতিক সহিংসতায় মৃত্যু সরকারের ব্যর্থতার প্রমাণ: গাজী আতাউর রহমান

মুসলিমবিরোধী আইন: দেওবন্দে নারীদের প্রতিবাদ কর্মসূচি অব্যাহত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: পুলিশের কড়া নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ভারতের বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইন "এন আর সি"র বিরুদ্ধে দেওবন্দ ঈদগাহে মুসলিম নারীদের অনির্দিষ্টকালীন বিক্ষোভ সমাবেশ ও অবস্থান ৭ম দিনেও অব্যাহত রয়েছে।

গুরু দুয়ারা, পাঠান পাড়া, আবুল মাআলি, জিয়াউল হক, রেলওয়ে রোড, খানকা এলাকাসহ শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে বিপুল সংখ্যক নারী ছোট শিশু সন্তানদের নিয়ে বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করছেন।

সবার হাতেই শোভা পাচ্ছে সিএএ বিরোধী বিভিন্ন ব্যানার ও পোস্টার। সরকারের বর্ণবাদী আইনের ধ্বংস কামনা করে সবাই বিভিন্ন শ্লোগান দিচ্ছেন। সময় গড়ানোর সাথে সাথে বিক্ষোভ সমাবেশও কঠোর হচ্ছে। ছোট বাচ্চারা বিক্ষোভে নতুন রঙ ঢেলে দিচ্ছে। বিক্ষোভের নতুন নতুন কৌশল বের করছে।

মেয়েরা মাথায় জাতীয় পতাকা বেঁধে, বাচ্চারা গালে জাতীয় পতাকা এঁকে নিজেদের বিক্ষোভ প্রদর্শন করছে।

মহিলারা স্টেজের মাইকে ঘোষণা দিচ্ছেন, তারা নাগরিকত্ব প্রমাণের নথিপত্র দেখাবেন না। কারণ তারা ভারতেরই নাগরিক। আর এখন তা প্রমাণের কোন প্রয়োজন নেই।

বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজক এবং নারী ঐক্য কমিটির প্রধান আমেনা রুশি তার বক্তব্যে বলেন, দেশের সংবিধান এবং গণতন্ত্র রক্ষায় সবাই আন্দোলন করছে। কেননা বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইন আমাদের দেশের আইনের বিপরীত। যুগ যুগ ধরে এখানে হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতির সাথে বসবাস করে আসছে। এই সম্প্রীতিই আমাদের দেশের পরিচয় বহন করে।

অথচ বর্তমান সরকার নিজের অবৈধ ইচ্ছা পূরণে এই মহান সম্প্রীতি নষ্ট করার চেষ্টা করছে। কিন্তু দেশের আমজনতা সরকারের এ ইচ্ছা কখনো পূর্ণ হতে দিবেনা।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া নাজিয়া পারভীন, সালমা আহসান, হাজেরা খান বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইনের ক্ষতি সম্পর্কে আলোকপাত করতে গিয়ে বলেন, বিতর্কিত বর্ণবাদী নাগরিকত্ব আইন বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকার মূলত নিজের অক্ষমতা ঢাকতে চাইছে- কিন্তু দেশের জনগণ তা বুঝতে পেরেছে।

আজমী উসমানী, হুমা কোরেশী, ফাইজিয়া সারওয়ার, সাজেদা খান বর্ণবাদী নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, স্বাধীনতার ৭৩ বছর পরে আমাদের কাছে নাগরিকত্বের প্রমাণ চাওয়া হচ্ছে। দেশের নাগরিক হিসেবে আমাদের জন্য এর থেকে বড় অপমান আর কি হতে পারে!

তারা আরো বলেন, সরকার আসামে এন আর সি বাস্তবায়ন করে অনেক আগেই ব্যর্থ হয়েছে। এখন সারা দেশে সেই ব্যর্থতার স্বাদ পেতে চাইছে। কিন্তু আমাদের দেশ ধর্মনিরপà§