শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬ ।। ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৪ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল মেক্সিকো, সুনামির সতর্কতা শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ খতিয়ে দেখা হচ্ছে: ভারত উত্তরাঞ্চলের ৫ জেলায় বন্যার শঙ্কা কুরআনের পথে চললেই বদলে যাবে দেশ: আল্লামা সাজ্জাদ নোমানী মসজিদের ভেতরে বিএনপি, বারান্দায় জামায়াতের জুমা আদায়! মাদক প্রতিরোধে চাহিদা ও যোগান—উভয়ই নির্মূল করতে হবে: পীর সাহেব চরমোনাই অপরিকল্পিত নগরায়ণ থেকে নগরবাসীকে মুক্তি দিন: ইসলামী আন্দোলন কওমি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় নিরাপদ পথ নিশ্চিত করুন বিকেএমের স্থায়ী স্বেচ্ছাসেবকদের বিশেষ প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত ‘দুর্দিন এলে আবারও মুসলিম লীগের মাওলানা ফজলুর রহমানের সহযোগিতা লাগবে’

কাশ্মীর ইস্যুতে ওআইসির কড়া সমালোচনায় ইমরান খান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: কাশ্মীরে ভারতীয় বাহিনীর মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ না করায় মুসলিম দেশগুলোর সংগঠন ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা বা ওআইসির কড়া সমালোচনা করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম দ্য ডন’র খবরে বলা হয়েছে, গতকাল মঙ্গলবার মালয়শিয়ায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ সমালোচনা করেন।

এর আগে ইমরান খান দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়া যান। সফরের শেষ গতকাল দিন থিঙ্ক-ট্যাঙ্ক আয়োজিত অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মুহাম্মাদের সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলন করেন পাক প্রধানমন্ত্রী।

ইমরান খান বলেন, কেউ চায় না মুসলিম দেশগুলো একতাবদ্ধ হয়ে লড়াই শুরু করুক। অন্যান্য সম্প্রদায় যেমন নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় তাদের সংস্থা থেকে সাহায্য পায় তেমনি মুসলিমদের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়া উচিত ওআইসির। এ সংস্থায় ১৩০ কোটি মানুষ থাকলেও লিবিয়া, সোমালিয়া, সিরিয়া, ইরাক, আফগানিস্তানসহ গোটা বিশ্বে মুসলিমরা ভুগছে। সেখানে ওআইসির ভূমিকা কী?

তিনি আরও বলেন, এর কারণ মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ঐক্য নেই, তারা পুরোদমে বিভক্ত। ভারত কাশ্মীরের ওপর যে নির্যাতন করলো তা নিয়ে ওআইসি কোনো সিদ্ধান্ত বা অবস্থান নিতে পারেনি। অথচ সংস্থাটির কাজই হচ্ছে মুসলিমদের সহায়তা করা। কিন্তু কাশ্মীরে যারা নিপীড়নের শিকার হলো তাদের সমস্যা সমাধানে মুসলিম দেশগুলোর সম্মিলিত ও দৃঢ় প্রতিবাদের প্রয়োজন ছিল।

ইমরান খান মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, কাশ্মীর ও মিয়ানমারের ঘটনায় মুসলিম বিশ্বের একত্রিত হওয়া অতীব জরুরি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ ওই অঞ্চলগুলোতে মানুষগুলো শুধু ধর্মের কারণে নিপীড়নের শিকার হচ্ছে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ