সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৫ মাঘ ১৪৩২ ।। ৩০ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
ভোট দিতে কেউ বাধা দিলে সে শেখ হাসিনা হয়ে যাবে: আসিফ নজরুল বক্তৃতা চলাকালেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন জামায়াতের জেলা আমির মাওলানা মামুনুল হকের দুই আসনে প্রার্থী দেবে না ইসলামী আন্দোলন ‘সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে হাতপাখার বিজয় হবে ইনশাআল্লাহ’ ভোটের মাঠে ১ লাখ সেনাসহ থাকবে ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য  জয়-পরাজয়ের হিসাব নয়, সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিন: শায়খ আহমাদুল্লাহ স্পেনে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে প্রাণহানি বেড়ে ৩৯ বাংলাদেশকে ৩০ হাজার টন সার উপহার দিল রাশিয়া হবিগঞ্জ-৪ আসনে ইসলামি ফ্রন্টের প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন তাহেরীকে শোকজ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে ফ্যাসিবাদ মাথাচাড়া দিতে পারবে না : ধর্ম উপদেষ্টা

কাশ্মীর ইস্যুতে ওআইসির কড়া সমালোচনায় ইমরান খান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: কাশ্মীরে ভারতীয় বাহিনীর মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ না করায় মুসলিম দেশগুলোর সংগঠন ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা বা ওআইসির কড়া সমালোচনা করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম দ্য ডন’র খবরে বলা হয়েছে, গতকাল মঙ্গলবার মালয়শিয়ায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ সমালোচনা করেন।

এর আগে ইমরান খান দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়া যান। সফরের শেষ গতকাল দিন থিঙ্ক-ট্যাঙ্ক আয়োজিত অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মুহাম্মাদের সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলন করেন পাক প্রধানমন্ত্রী।

ইমরান খান বলেন, কেউ চায় না মুসলিম দেশগুলো একতাবদ্ধ হয়ে লড়াই শুরু করুক। অন্যান্য সম্প্রদায় যেমন নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় তাদের সংস্থা থেকে সাহায্য পায় তেমনি মুসলিমদের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়া উচিত ওআইসির। এ সংস্থায় ১৩০ কোটি মানুষ থাকলেও লিবিয়া, সোমালিয়া, সিরিয়া, ইরাক, আফগানিস্তানসহ গোটা বিশ্বে মুসলিমরা ভুগছে। সেখানে ওআইসির ভূমিকা কী?

তিনি আরও বলেন, এর কারণ মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ঐক্য নেই, তারা পুরোদমে বিভক্ত। ভারত কাশ্মীরের ওপর যে নির্যাতন করলো তা নিয়ে ওআইসি কোনো সিদ্ধান্ত বা অবস্থান নিতে পারেনি। অথচ সংস্থাটির কাজই হচ্ছে মুসলিমদের সহায়তা করা। কিন্তু কাশ্মীরে যারা নিপীড়নের শিকার হলো তাদের সমস্যা সমাধানে মুসলিম দেশগুলোর সম্মিলিত ও দৃঢ় প্রতিবাদের প্রয়োজন ছিল।

ইমরান খান মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, কাশ্মীর ও মিয়ানমারের ঘটনায় মুসলিম বিশ্বের একত্রিত হওয়া অতীব জরুরি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ ওই অঞ্চলগুলোতে মানুষগুলো শুধু ধর্মের কারণে নিপীড়নের শিকার হচ্ছে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ