সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সৌদি আরব ও কাতারের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বিশ্বজয়ী হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরাকে সংবর্ধনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয় লক্ষ্মীপুরে ড্রাম ট্রাকচাপায় বৃদ্ধ ভ্যানচালকের মৃত্যু দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু আজ, প্রচারণার নির্দেশ

প্রযুক্তির প্রভাবে জাপানে প্রতিদিন গড়ে ৭০ জনের আত্মহত্যা, লাশগুলো পঁচে গলে থাকে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ তামিম।।

জাপানে প্রতি দশ জনে এক জন একাকি মৃত্যু বরণ করে। একটি রুমে মরে পচে গলে গন্ধ বের হলে লোকে জানতে পারে এই ঘরে একাকী বাস করা লোকটি মারা গেছে! তার লাশ সৎকারেরও কেউ থাকে না।

বিবিসির এক প্রতিবেদন জানায়, ২০১৪ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী জাপানে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৭০ জন মানুষ আত্মহত্যা করে। সেই হার এখন আরো বেশি। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর সাথে তুলনা করলে দক্ষিণ কোরিয়া বাদে অন্য কোনো দেশে আত্মহত্যার হার এত ব্যাপক নয়।

ঢাকার খিলগাঁও খিদমাহ হাসপাতালের নাক কান গলা বিশেষজ্ঞ, ডা. মশিউর রহমানের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, জাপানে যারা আত্মহত্যা করে, তাদের লাশ পঁচে গলে গন্ধ বের হলে পোকা মাকড় মশা মাছিতে ভরপুর এসব মৃত দেহ পরিষ্কারের জন্য সাফাই নামক অসংখ্য কোম্পানি সেগুলো পরিস্কার করে।

মৃত্যুর আগে অনেক মানুষ এসব কোম্পানীর সাথে চুক্তি করে রাখেন যাতে তারা মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আত্মার শান্তির জন্য প্রার্থনা করে।

বিবিসির একটি প্রতিবেদনে জানা যায়, জাপানিদের আত্মহত্যা প্রবণতা বৃদ্ধির প্রধান কারণ হলো প্রযুক্তি নির্ভর জীবন। মানুষকে রোবটের মত করে তুলে যে জীবন। যতটা প্রযুক্তি নির্ভর হচ্ছে তাদের সমাজ, তটাই আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ছে।

জাপানের বিশেষজ্ঞ মি. নিশিদা বলেন, প্রযুক্তি নির্ভর জাপানের সমাজে রাগ বা ক্ষোভ প্রকাশ করার খুব একটা সুযোগ নেই। অর্থনৈতিক দুশ্চিন্তা ও অনিরাপত্তার পাশাপাশি অভিযোগ না করার মানসিকতার সংস্কৃতিও বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে আত্মহত্যা বাড়ার পেছনে বড় ভূমিকা রাখে বলে মনে করেন তিনি।

প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং প্রসার তরুণদের আরো বেশী সমাজবিচ্ছিন্ন করে দিচ্ছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা

তিনি আরো বলেন, দিনদিন প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং প্রসারের কারণে এই অবস্থার আরো অবনতি হচ্ছে জাপানে। আধুনিক প্রযুক্তি তরুণদের সমাজ থেকে আরো বিচ্ছিন্ন করছে। আর তারা যতটা সমাজ থেকে দূরে যাচ্ছে ততই মৃত্যুর ‍দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন থাকার এই প্রবণতার একটি বিশেষ নামও রয়েছে জাপানে; এটিকে বলা হয় ‘হিক্কিমোরি’। জাপানের স্বাস্থ্য, শ্রম ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ভাষায়, হিক্কিমোরি হ