সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান ১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি

স্মৃতির দর্পণে মাওলানা মহিউদ্দিন খাঁন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

হাফেজ মাওলানা ইউসুফ নূর।।

ছেলেবেলা। আমি তখন মেখল মাদরাসায় পড়ি। যতটুকু মনে পড়ে, ওই সময়টাতে সর্প্রথম যে ম্যাগাজিনটি আমি হাতে নিই তার নাম মাসিক মদীনা। মেখল মাদরাসায় সাধারণত পত্রপত্রিকা পড়ার অনুমতি ছিল না! ব্যতিক্রম ছিল কেবল মাসিক মদীনা! এ পত্রিকা ছাত্র-উসতাদ আমরা সবাই আগ্রহ নিয়ে পড়তাম। তখনকার সময়ে এটা একমাত্র ইসলামিক ম্যাগাজিন হিসেবে আমাদের কাছে সমাদৃত ছিল।

মাসিক মদীনার প্রশ্নোত্রর বিভাগটি ছিল সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয়। এ পত্রিকা পড়ে পড়েই বাংলাভাষায় কিছু লেখার আগ্রহ তৈরি হয়েছিল আমাদের ভেতর। পাশাপাশি বদ্ধমূল বিশ্বাস জন্মে গিয়েছিল যে, বাংলাদেশে যদি ইসলামের দাওয়াতকে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিতে হয়, তবে বাংলাভাষায় দক্ষতা অর্জন করা জরুরী। এ কারণে মাওলানা মুহিউদ্দীন খাঁনের প্রতি তখন থেকেই আলাদা একটা শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা ছিল আমার।

যতটুকু মনে পড়ে, তাঁকে সর্বপ্রথম আমি দেখি ১৯৮৭ সালে। চট্টগ্রামের সার্কিট হাউজ ময়দানের একটি ইসলামি সম্মেলনে তিনি বক্তব্য রেখেছিলেন। দু’ দিন ব্যাপী এ সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন আল্লামা আল্লামা তকি উসমানির উর্দু বক্তব্যের অনুবাদ ও করেছিলেন মাওলানা খান। তাঁর এ আলোচনায় স্বয়ং মাওলানা তকি ওসমানি সাহেব মুগ্ধ হয়ে বলেছিলেন, ‘মুহাব্বাত কি কুই জবান নেহি হোতা’! আমি মাওলানা মুহিউদ্দিন খানের এ বয়ানের ভাষা না জানলেও বুঝে ফেলেছি যে, তিনি ইমান আফরোজ বয়ান কিয়া- ইমানদ্বীপ্ত একটি বক্তব্য রেখেছেন।‘ সত্যি তাঁর আলোচনা নিজভাষী শ্রোতাকে যেমন আকর্ষণ করত, তেমন মুগ্ধ করত ভিনভাষী শ্রোতাকেও।

লিখনীর ক্ষেত্রে তিনি একজন যুগস্রষ্টা, অন্যভাবে বললে ইসলামী সাহিত্যের জমিদারপুরুষ ছিলেন, আলোচনার ক্ষেত্রেও তাঁর জুড়ি মেলানো ছিল ভার। মেপে মেপে কথা বলতেন। তাঁর আলোচনার ভেতরে প্রেরণাও ছিল, পাশাপাশি কথা বলার আলাদা একটা স্টাইলও ছিল।

মাওলানা খানের বিশেষ অবদানটা অনুবাদ সাহিত্যে। বিশ্বের বড় বড় আলেমদের গ্রন্থাবলির সঙ্গে আমাদের তিনি পরিচয় করিয়ে গেছেন। তাফসিরে মাআরেফুল কুরআনের অনুবাদটার কারণে গোটা জাতি আজ তাঁর কাছে ঋণী। সাহিত্য ক্ষেত্রে এ অবদানের জন্য আন্তর্জাতিক সাহিত্য সংস্থা ‘রাবেতাতুল আদবিল ইসলামি আল-আলমি ‘ তাঁকে তাদের বাংলাদেশ শাখার চেয়ারম্যান বানিয়ে ছিল। পাশাপাশি ‘রাবেতায়ে আলামি আল ইসলামি এর কেন্দ্রীয় কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সদস্য পদ লাভ করেও তিনি আমাদের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছিলেন।

মাওলানা খাঁন সাহেবকে যে কারণে আমার সবচেয়ে বেশী ভালো লাগত, তিনি ধর্মীয় ব্যà¦