সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিন শেষ হয়ে এলে  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান

আরাফার সম্মান, মর্যাদা ও আমল!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুহাম্মদ ইশরাক।।

আরাফাহ আরবি শব্দ। এর অর্থ বুঝতে পারা বা পরিচিত হওয়া । হযরত আদম আ. এবং হাওয়া আ. কে আল্লাহ তায়ালা এ পৃথিবীতে পৃথক স্থানে পাঠিয়েছিলেন। আরাফার পাহাড়ের কাছে তাদের পরষ্পরের পরিচয় হয়। এখান থেকেই আরাফাহ শব্দের উৎপত্তি। আবার কেউ কেউ বলেন, হযরত জিবরাইল আ. হযরত ইবরাহীম আ. কে হজের বিধান শেখাতেন। যখনই কোন একটি বিধান শেখাতেন বললেন, বুঝেছেন কি?

হযরত ইবরাহীম বলতেন, জ্বি বুঝেছি। এখান থেকে আরাফাহ শব্দ চয়িত হয়েছে। নয় জিলহজে আরাফার ময়দানে অবস্থান করা হজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল। এদিনটিকে বলা হয় আরাফার দিন।

আরাফার দিনের অনেক গুরুত্ব ও তাৎপর্য রয়েছে। আরাফার দিনের মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্ব বোঝানোর জন্য স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা এ দিনের কসম করেছেন শপথ প্রতিশ্রুত দিবস, সে দিবসের যে দিবস উপস্থিত হয় এবং যে দিবসে উপস্থিত করা হয়।'(সূরা বুরুজ-৩)

আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, প্রতিশ্রুত দিবস হলো, কেয়ামতের দিন। উপস্থিত দিবস হলো, জুমার দিন। আর যে দিবসে উপস্থিত করা হয় তা হলো, আরাফার দিন।

পবিত্র কুরআনে বিজোড় সংখ্যা নিয়ে আল্লাহ তায়ালা শপথ করেছেন,'শপথ জোড় ও বিজোড়ের। '(সূরা ফাজর -৩)
এই বেজোড় দ্বারা উদ্দেশ্য আরাফার দিন। ইবনে আব্বাস রা. বলেছেন, জোড় হলো, কুরবানীর দিন। আর বিজোড় হলো, আরাফার দিন।( তিরমিজি)

আরাফার দিন এমন একটি মহত্ত্ব ও মহমান্বিত দিন যে দিনে আল্লাহ তাআলা ফেরেশতাদের সামনে আরাফার ময়দানে অবস্থানকারীদের নিয়ে ফখর করেন। যেমন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই ওয়া সাল্লাম বলেছেন, 'আরাফার দিনে সেখানে অবস্থানকারীদের নিয়ে আল্লাহ তাআলা ফেরেশতাদের সামনে ফখর করেন এবং বলতে থাকেন তোমরা আমার বান্দাদের দিকে দেখো, তারা ধূলিমলিন এবং এলোকেশী হয়ে আমার কাছে এসেছে।'(সহিহুল জামে)

আরাফার দিনেই আল্লাহ তায়ালা আদম সন্তানদের কাছ থেকে অঙ্গিকার নিয়েছিলেন। ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু ওয়া সাল্লাম বলেছেন, 'আল্লাহ তায়ালা আদমের পীঠ থেকে অঙ্গীকার নিয়েছেন নুমান তথা আরাফাহ নামক স্থানে। আদমের আ.পৃষ্ঠদেশ থেকে প্রত্যেক বংশধরকে বের করেছেন এবং দানার মত নিজের সামনে তাদেরকে ছড়িয়ে দিয়েছেন অতঃপর তাদের সম্মুখে কথা বলেছেন-'আমি কি তোমাদের রব নই? তারা বলেছে, হ্যাঁ। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি তোমরা কিয়ামতের দিনে বলবে আমরা এ ব্যাপারে অনবহিত ছিলাম। অথবা বলবে আমাদের পূর্বে বাপ-দাদারা শিরিক করেছে আমরা তাদের পরবর্তী বংশধর। তাহলে কি আপনি এই পথভ্রষ্টদের কারণে আমাদের ধ্বংস করবেন?' (সূরা আরাফ -১৭২-১৭৩) হাদিসটি মুসনাদে আহমাদে বর্ণিত হয়েছেà¥