শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২২ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
পেট্রল মজুত করে অতিরিক্ত দামে বিক্রি, ২৫ হাজার টাকা জরিমানা ইসরায়েল অশুভ শক্তি ও মানবতার জন্য অভিশাপ : খাজা আসিফ হরমুজ প্রণালী অতিক্রমের অনুমতি পায়নি বাংলাদেশি জাহাজ বরিশালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু ৫ অঞ্চলে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আশঙ্কা নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ব্যতিক্রমী আয়োজন, ৫ টাকায় মুরগির মাংস-খিচুড়ি রাজধানীতে প্রতি বছর ৬০ হাজার গাছ লাগাবে সরকার: প্রশাসক সালাম একের পর এক উন্নত অস্ত্রের পরীক্ষা চালাচ্ছে উত্তর কোরিয়া গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন বিল পাস বগুড়া-শেরপুরের নির্বাচন বাতিলের দাবি জামায়াতে ইসলামীর

তাকবিরে তাহরিমা না বলে রুকুতে গেলে নামাজই হবে না

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: জামাতের নামাজে ইমাম যখন রুকুতে যান, তখন অনেককে দেখা যায়, রাকাত পাওয়ার জন্য তাড়াহুড়া করে একটি তাকবির বলেই রুকুতে চলে যান। এ পদ্ধতি সঠিক নয়। কারণ যে তাকবির বলে মুসল্লি রুকুতে যাচ্ছে, সেটাকে রুকুর তাকবির বলা যায়। তাহলে তার তাকবিরে তাহরিমা তো আদায় হয়নি। অথচ তাকবিরে তাহরিমা ফরজ।

অতএব ইমামকে রুকুতে পেতে হলে কয়েকটি কাজ করা জরুরি। প্রথমে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে কান পর্যন্ত হাত উঠিয়ে একবার আল্লাহু আকবার উচ্চারণ করবে। তারপর হাত না বেঁধে সোজা ছেড়ে দিবে। অতপর আরেকটি তাকবির বলে রুকুতে যাবে।

সারকথা এই যে, এখানে তাকবির দুটি। প্রথমটি তাকবিরে তাহরিমা, যা নামাজের প্রথম কাজ। এই তাকবির না বললে নামাজই হবে না। আর দ্বিতীয়টি রুকুর তাকবির। এই তাকবির বলা সুন্নত। কেউ যদি রুকুতে ইমামের সাথে শামিল হতে চায় তাহলে তার জন্য নিয়ম মাফিক এই দুটি তাকবির আদায় করা উচিত। এক্ষেত্রে প্রয়োজনে রুকুর তাকবির তো ছাড়া যেতে পারে, কিন্তু স্থির দাঁড়ানো অবস্থায় তাকবিরে তাহরিমা অবশ্যই বলতে হবে। এ বিষয়ে অধিক তাড়াহুড়া বা অবহেলা করলে নামাজ শুদ্ধ না হওয়ার সমূহ আশঙ্কা রয়েছে। (সূত্র: মাসিক আলকাউসার, জুমাদাল উলা-১৪৩২ হিজরী, এপ্রিল-২০১১)

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ