বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
জিপিএ-৫ পাওয়া ১ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থীকে ট্যাব দেবেন প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ-গ্যাসে ৭ মাসের ভর্তুকি একমাসে দিতে হয়েছে: গণপূর্তমন্ত্রী সীতাকুণ্ডে ‎বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ‎ গওহরডাঙ্গা বেফাকের ৫০তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী ২০ সেপ্টেম্বর ৫ সেপ্টেম্বর জামিআ ইকরায় ‘খুতুরাতুত তাকফির’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ক্রস বর্ডার অ্যাডুকেশনে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী নাজমুল হুদা মজনুর একজোড়া কাব্য  জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও মূল্যস্ফীতি ইস্যুতে কর্মসূচি ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের বোয়িং বাংলাদেশকে হতাশ করবে না: তারেক রহমানকে ট্রাম্প নিজের জীবনের পুরো সঞ্চয় দিয়ে মসজিদ নির্মাণ ৮৪ বছরের বৃদ্ধের

মাংস থেকে ‘হালাল’ শব্দ বাদ ভারতের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: গরু-মহিষসহ সব ধরনের প্রক্রিয়াজাত রেড মিট ম্যানুয়াল থেকে হালাল শব্দটি বাদ দিয়েছে ভারত। কয়েকটি হিন্দু সংগঠন অভিযোগ করেছে, হালাল শব্দটি মুসলমান রপ্তানিকারকদের ব্যবসায়ে অবৈধ সুবিধে দিচ্ছে। এরই পরিপ্রেক্ষীতে ওই শব্দটি সরিয়ে দেয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

ভারতের এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড প্রসেসড ফুড প্রডাক্টস এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (এপিইডিএ) এ সংক্রান্ত নির্দেশনা বাস্তবায়নে ম্যানুয়েলে পরিবর্তন এনেছে। তাদের পরিবর্তিত সংস্করণে বলা হয়েছে, আমদানিকারী দেশ বা আমদানিকারীর চাহিদা মেনে পশুদের জবাই করা হয়েছে। আগের সংস্করণে লেখা ছিল, ইসলামিক দেশগুলোর চাহিদায় কঠোরভাবে মেনে পশুদের হালাল পদ্ধতিতে জবাই করা হয়েছে।

হালাল নিয়ে হিন্দু সংগঠনগুলো বেশ কিছুদিন ধরে সরব হয়েছে। অনেকে অভিযোগ করেছেন, এপিইডিএ’র ম্যানুয়েলে হালাল শব্দের ব্যবহারের অর্থ, আমদানিকারীদের শুধু হালাল সার্টিফিকেট পাওয়া মাংস নিতে বাধ্য করা। এর ফলে স্থানীয় ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে তাদের বক্তব্য।

তাদের বক্তব্য, শুধু পশ্চিম এশিয়ার ইসলামি দেশগুলোতে নয়, চীনেও মাংস রপ্তানি করে ভারত। সেখানে হালাল সার্টিফিকেট জরুরি নয়। শ্রীলঙ্কাতেও মাংস সরবরাহ করে ভারত। সেখানেও হালাল সার্টিফিকেশন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এরপরও আমদানির জন্য মাংসের সঙ্গে হালাল শব্দের ব্যবহার প্রয়োজন নেই।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ